Categories
অন্যান্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ চুলের যত্ন টিপস এন্ড ট্রিকস ত্বকের যত্ন ফলের উপকারিতা ফলের উপকারী রূপচর্চা রোগ প্রতিরোধ লাইফ স্টাইল

জয়তুন তেলের উপকারিতা

আমরা সবাই জানি, অলিভ অয়েলের ব্যবহার সুপ্রাচীন। বাংলায় যার নাম জলপাই তেল এবং আরবিতে একে জয়তুন বলা হয়। জলপাইয়ের তেল এমন একটি উপাদান, যা ত্বক ও চুল সহ অনেক কিছুতেই ব্যবহার করা হয়।জয়তুন তেলের উপকারিতা

ইসলামে বলা হয়েছেঃ

“তোমরা যায়তুনের তেল খাও এবং এর দ্বারা মালিশ কর বা শরীরে মাখ। কেননা, তা বরকতময় গাছ থেকে আসে।” (তিরমিযী, আহমদ)

চলুন জেনে নেওয়া যাক, জয়তুন তেলের উপকারিতা:

ত্বকের অ্যান্টিএইজিং হিসেবেঃ

জলপাই তেল ত্বকের যত্নে দারুণ কার্যকরী। জলপাইয়ের তেল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে ও ত্বকে ময়লা জমতে দেয় না। ত্বক ফেটে গেলে তা সারিয়ে তুলতে জলপাই তেল বেশ কার্যকরী। জলপাই তেল ব্যবহারে ত্বকের বলিরেখা কমায়। এর অ্যান্টিএইজিং উপাদান ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে কাজ করে।

এলার্জি অথনা চুলকানি কমাতেঃ

এ ছাড়া যাদের ত্বকে চুলকানির সমস্যা রয়েছে তারা নির্দ্বিধায় এই তেল ব্যবহার করতে পারেন।

ত্বকের যত্নেঃ

জলপাই তেল ত্বকের অতিরিক্ত শুষ্কতা কমায় ও ত্বকের ছোপ ছোপ দাগ দূর করে। ফলে ত্বক হয় কোমল এবং মসৃণ।

কোলেস্টেরল সমস্যা দূর করতেঃ

তেল রক্তের কোলেস্টোরেল দূর করে রক্তে উচ্চারক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই রক্তের কোলেস্টেরল দূর করতে চাইলে জয়তুন তেল খাওয়া আবশ্যক।গবেষকরা ২.৫ কোটি (25 million) লোকজনের উপর গবেষণা করে দেখিয়েছেন, প্রতিদিন ২ চামচ Extra Virgin Olive Oil যাইতুন তেল ১ সপ্তাহ ধরে খেলে, ক্ষতিকর এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরল কমায় এবং উপকারী এইচডিএল (HDL) কোলেস্টেরল বাড়ায়।

ভিটামিন অভাব রোধ করতেঃ

জয়তুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই।ভিটামিন এর অভাব পূরণ করতে চাইলে জয়তুন খাওয়া আবশ্যক।
জয়তুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আশ বা ফাইবার। তাই যদি বাতের ব্যাথা কমাতে চান নিয়মিত জয়তুন খাওয়া আবশ্যক।

আরো পড়ুন: মাশরুম এর উপকারিতা

বিভিন্ন রোগের জন্যঃ

বিভিন্ন ধরণের টিউমার,দৃষ্টিভ্রম,রগ ফুলে যাওয়া,কোষ্ঠকাঠিন্য এবং দাতের ক্যাভিটি নিয়ন্ত্রণে জয়তুনের তেল অনেক উপকার করে থাকে।
ক্যান্সার দমনে খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে জয়তুন।

রক্তশূন্যতা কমাতে এবং হার্টের সুরক্ষায়ঃ

রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে খুব কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে জয়তুন।
জয়তুনে রয়েছে অলেইক এসিড যা আমাদের হার্টের সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

চুলের যত্নে(জয়তুন তেলের উপকারিতা):

শুধু ত্বক নয়, জলপাই তেল মাথার ত্বকের খুশকি দূর করার জন্যও উপকারী। মাথার শুষ্ক তালু প্রাণ ফিরে পায় জলপাই তেলের গুণে। জলপাইয়ের তেল চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে। এটা শিশুর ত্বকের জন্যও নিরাপদ।

ব্যথানাশক হিসেবেঃ

স্প্যানিশ (Spanish) গবেষকরা দেখিয়েছেন, খাবারে যাইতুন তেল ব্যবহার করলে ক্লোন ক্যান্সার (Colon cancer ) প্রতিরোধ হয়। আরও কিছু গবেষক দেখিয়েছ, এটা ব্যাথা নাশক (Pain Killer) হিসাবে কাজ করে।

সান প্রটেক্টর হিসেবেঃ

একটি ডিমের কুসুমের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ জলপাই তেল আর ৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্ক শুষ্ক ত্বককে নরম ও কোমল করে তুলবে। সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে। বাইরে যাওয়ার আগে জলপাই তেল দিয়ে বের হন। সান প্রটেক্টর হিসেবে এটি দারুণ কার্যকরী।

ব্রণ দূর করতেঃ

৪ টেবিল চামচ লবণের সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ জলপাই তেল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ২ মিনিট ধরে মুখে ম্যাসাজ করুন। এভাবে এক সপ্তাহ করলে ত্বকে ব্রণের সমস্যা দূর হবে।

আরো পড়ুন: ত্বকের যত্নে  মুলতানি মাটি

অন্যান্য ব্যবহারবিধি হিসেবেঃ

এ ছাড়া ১/২ কাপ জলপাই তেল, ১/৪ কাপ ভিনেগার আর ১/৪ কাপ পানি মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাক আপনার ত্বককে নরম করবে এবং ভিনেগার ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করবে।

কন্ডিশনার হিসেবেঃ

ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্নে ও সমান কার্যকরী জলপাই তেল। শ্যাম্পু করার পর হাতের তালুতে কয়েক ফোঁটা জলপাই তেল নিয়ে ভালোভাবে দুই হাতে ঘষে ফেলুন। তারপর চুলে কন্ডিশনারের বদলে লাগিয়ে ফেলুন।

আশা করি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে আপনাদের উপকার হবে।এবং বাস্তব জীবনে জয়তুন তেলের উপকারিতা এর প্রয়োগ ঘটাতে পারবেন।

Photo Credit: pixabay.com

Categories
ইসলামিক নাম মা ও শিশুর যত্ন লাইফ স্টাইল

ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ

আসসালামু আলাইকুম ,আজকে আমরা জানবো ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ।

আমরা সব সময় চাই একটা সুন্দর নাম।এ নামে সবাই ডাকবে।তাই বাড়ীতে নতুন অতিথি আসার পর সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ে একটা সুন্দর নাম খোঁজার জন্য।নাম রাখতে আমাদের অবশ্যই কিছ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা হলো নামটির যেনো একটি সুন্দর অর্থ থাকে,ইসলামিক অর্থবহ হয়। অবশ্যই একটি সুন্দর অর্থ মানুষের জীবনের উপর প্রভাব ফেলে।আমরা আলোচনা করবো ব দিয়ে ছেলেদের কিছু ইসলামিক নাম অর্থসহ।

চলুন জেনে নিই, ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহঃ

বখতিয়ার পরিদ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান অনুপম

বখতিয়ার ফতেহ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বিজয়ী
বখতিয়ার ফাতিন – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান সুন্দর
বখতিয়ার ফাহিম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বুদ্ধিমান
বখতিয়ার আশিক – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান প্রেমিক
বখতিয়ার আনিস – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বন্ধু

বখতিয়ার আমজাদ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান সম্মানিত
বখতিয়ার আমের – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান সম্মানিত
বখতিয়ার আসেফ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান যোগ্য ব্যক্তি
বখতিয়ার আশহাব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বীর
আবরার মোহসেন – বাংলা অর্থ – ন্যায়বান উপকারী

বখতিয়ার আসলাম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান নিরাপদ
বখতিয়ার আজিম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান শক্তিশালী
বখতিয়ার আবিদ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান এবাদতকারী
বখতিয়ার আদিল – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান ন্যায়পরায়ণ
বখতিয়ার আখতাব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বক্তা
বখতিয়ার আকরাম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান দানশীল
বখতিয়ার আহবাব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বন্ধু

বশীর শাহরিয়ার – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী রাজা
বশীর মনসুর – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী বিজয়ী
বশীর হামিম – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী বন্ধু
বশীর হাবিব – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী প্রিয় বন্ধু
বশীর আশহাব – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী বীর

ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ:

বশীর আনজুম – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী তারা
বশীর আখতাব – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী বক্তা
বশীর আহবাব – বাংলা অর্থ – সুসংবাদ বহনকারী বন্ধু
বখতিয়ার রফিক – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বন্ধু
বখতিয়ার নাফিস – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান উত্তম

বখতিয়ার নাদিম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান সাথী
বখতিয়ার মনসুর – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বিজয়ী
বখতিয়ার মুইজ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান সম্মানিত
বখতিয়ার মুস্তাফিজ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান উপকৃত
বখতিয়ার গালিব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বিজয়ী
বখতিয়ার মাহবুব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান প্রিয়

বখতিয়ার মুহিব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান প্রেমিক
আবরার নাসির – বাংলা অর্থ – ন্যায়বান সাহায্যকারী
বখতিয়ার মাদীহ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান মধর্মযোদ্ধা
বখতিয়ার মাশুক – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান প্রেমাস্পদ
বখতিয়ার মুজিদ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান আবিষ্কারক
বখতিয়ার খলিল – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বন্ধু
বখতিয়ার করিম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান দয়ালু

বখতিয়ার জলিল – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান মহান
বিজয় – বাংলা অর্থ – জয়
বখতিয়ার হামিম – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বন্ধু
বখতিয়ার হামিদ – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বন্ধু
বখতিয়ার হাসিন – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান সুন্দর
বখতিয়ার গালিব – বাংলা অর্থ – সৌভাগ্যবান বিজয়ী

B দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহঃ

Burhanuddin (বোরহানুদ্দীন) দ্বীনের রক্ষক
Burhan (বোরহান) প্রমান
Boy Arabic Bashir Anjum (বশীর আনজুম) সুসংবাদবহনকারী তারা
Bodrul Hasan (বদরুল হাসান) সুন্দর বসন্তকাল
Bazlul Haque (বজলুল হক) প্রকৃত সাহায্যকারী
Baten (বাতেন) প্রচ্ছন্ন

Bashratul Hasan (বাশরাতুল হাসান) ইসলামের বসন্তকাল
Bashiruddin (বশীরুদ্দীন) দ্বীনের পরহেজগার
Bashir Shahriyar (বশির শাহরিয়ার) সুসংবাদবহনকারী রাজা
Bashir Hamim (বশীর হামিম) সুসংবাদবহনকারী বন্ধু

Bashir Habib (বশীর হাবীব) সুসংবাদবহনকারী বন্ধু
Bashir Ashhab (বশীর আশহাব) সুসংবাদবহনকারী বীর
Bashir Akhtab (বশীর আখতাব) সুসংবাদবহনকারী বক্তা
Bashir Ahbab (বশীর আহবাব) সুসংবাদবহনকারী নেতা

Bashir (বাশীর) সুসংবাদ বহনকারী
Barkat (বরকত) সৌভাগ্য
Baqi (বাকী) চিরস্থায়ী
Bakhtiyar Wadud (বখতিয়ার ওয়াদুদ) সৌভাগ্যবান বন্ধু
Bakhtiyar Rafiq (বখতিয়ার রফিক) সৌভাগ্যবান বন্ধু

Bakhtiyar Nafis (বখতিয়ার নাফিস) সৌভাগ্যবান উত্তম
Bakhtiyar Nadim (বখতিয়ার নাদিম) সৌভাগ্যবান সাথী
Bakhtiyar Mustafiz (বখতিয়ার মুস্তাফা) সৌভাগ্যবান উপকৃত
Bakhtiyar Muiz (বখতিয়ার মুইজ) সৌভাগ্যবান সম্মানিত
Bakhtiyar Muhib (বখতিয়ার মুহিব) সৌভাগ্যবান প্রেমিক

Bakhtiyar Mashuq (বখতিয়ার মাশুক) সৌভাগ্যবান প্রেমাস্পদ
Bakhtiyar Mansur (বখতিয়ার মনসুর) সৌভাগ্যবান বিজয়ী
Bakhtiyar Mahbub (বখতিয়ার মাহবুব) সৌভাগ্যবান প্রিয়
Bakhtiyar Khalil (বখতিয়ার খলিল) সৌভাগ্যবান বন্ধু

bakhtiyar Karim (বখতিয়ার করিম) সৌভাগ্যবান দয়ালু
Bakhtiyar Jalil (বখতিয়ার জলিল) সৌভাগ্যবান মহান
Bakhtiyar Hasin (বখতিয়ার হাসিন) সৌভাগ্যবান সুন্দর
Bakhtiyar Hamim (বখতিয়ার হামিম) সৌভাগ্যবান বন্ধু
Bakhtiyar Hamid (বখতিয়ার হামিদ) সৌভাগ্যবান প্রশংসাকারী

Bakhtiyar Galib (বখতিয়ার গালিব) সৌভাগ্যবান বিজয়ী
Bakhtiyar Fatin (বখতিয়ার ফাতিন) সৌভাগ্যবান সুন্দর
Bakhtiyar Fateh (বখতিয়ার ফাতেহ) সৌভাগ্যবান বিজয়ী
Bakhtiyar Farid (বখতিয়ার ফরিদ) সৌভাগ্যবান আনুপম
Bakhtiyar Fahim (বখতিয়ার ফাহিম) সৌভাগ্যবান বুদ্ধিমান

B দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম:

Bakhtiyar Azim (বখতিয়ার আজিম) সৌভাগ্যবান শক্তিশালী
Bakhtiyar Aslam (বখতিয়ার আসলাম) সৌভাগ্যবান নিরাপদ
Bakhtiyar Ashiq (বখতিয়ার আশিক) সৌভাগ্যবান প্রেমিক
Bakhtiyar Ashhab (বখতিয়ার আশহাব) সৌভাগ্যবান বীর
Bakhtiyar Asef (বখতিয়ার আসেফ) সৌভাগ্যবান যোগ্য ব্যক্তি

Bakhtiyar Anis (বখতিয়ার আনিস) সৌভাগ্যবান বন্ধু
Bakhtiyar Amjad (বখতিয়ার আমজাদ) সৌভাগ্যবান সম্মানিত
Bakhtiyar Akram (বখতিয়ার আকরাম) সৌভাগ্যবান দানশীল
Bakhtiyar Akhtab (বখতিয়ার আখতাব) সৌভাগ্যবান বক্তা

Bakhtiyar Ahbab (বখতিয়ার আহবাব) সৌভাগ্যবান বন্ধু

Bakhtiyar Adil (বখতিয়ার আদিল) সৌভাগ্যবান ন্যায়পরায়ন
Bakhtiyar Abid (বখতিয়ার আবিদ) সৌভাগ্যবান ইবাদতকারী
Bahauddin (বাহাউদ্দীন) দ্বীনের একজন বিশিষ্ট্য ব্যক্তি
Baharul Islam (বাহারুল ইসলাম) সুন্দর আনন্দ
Badruddin (বদরুদ্দীন) দ্বীনের চাঁদ
Ba-ar (বা-র) নেককার

আরো পড়ুন: ই দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ

আশা করি,এখন আর নাম খোঁজার ঝামেলা পোহাতে হবেনা।ব দিয়ে ছেলেদের ইসলামিক নাম এর সুন্দর সুন্দর অর্থ সব এক নজরে দেখে নিতে পারবেন।

Photo Credit: TwitterFacebook And Pixabay

Categories
লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

জিম করার উপকারিতা – জিম করার কৌশল

আসসালামু আলাইকুম
আজকে আমরা জানবো জিম করার উপকারিতা এবং জিম করার কৌশল নিয়ে।

জিম করার প্রয়োজনীয়তাঃ

বর্তমান সময়ে নিজেকে ফিট রাখতে জিম করাটা দরকার। অনেকেই নানা ভাবে জিম করেন। যেমন বেলি ফ্যাট কমাতে, পেশী সুদৃঢ় করতে ইত্যাদি।

জিমের দৈনিক ব্যায়াম শুধুমাত্র শরীরের চর্বি এবং জরিমানা ঠিক না, কিন্তু মন ভাল করার জন্য সাহায্য করে নিয়মিত জিমে যাওয়া আপনার মনের ভালোর জন্য উপকারী।

চলুন এখন জেনে নেয়া যাক জিমের করার উপকারিতা:

১।দেহের শক্তি ও ভারসাম্য বৃদ্ধি করেঃ

জিম করার উপকারিতা গুলোর মধ্যে প্রথম হচ্ছে এটি দেহের শক্তি ও ভারসাম্য বাড়াতে যথেষ্ট সাহায্য করে। জিম বা শরীরচর্চা স্বাস্থ্যবান এবং স্বাস্থ্যহীন উভয় শ্রেণির মানুষের প্রকৃত এনার্জি বুস্টার বা শক্তি বৃদ্ধিকারী।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ক্রমাগত ক্লান্তি বা অবসাদে ভুগছেন এমন ৩৬ জন স্বাস্থ্যবান মানুষ নিয়মিত ছয় সপ্তাহ ব্যায়াম করায় তাদের ক্লান্তির অনুভূতি কমে যায়।

২। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেঃ

ওজন নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম ও কার্যকরী উপায় হচ্ছে নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম বা জিম করা। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের উপায় অবলম্বন করে থাকে।

সব উপায় গুলোর মধ্যে ২ টাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী, ১। খাবার নিয়ন্ত্রণে রাখা ২। নিয়মিত ব্যায়াম করা করা।

যদি সকালে ৩০ মিনিট এবং বিকালে ৩০ মিনিট জজ্ঞিং করেন, ব্যায়াম করেন বা হাঁটেন তাহলে, ওজন অনেকটা কমে আসবে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ভূমিকা রাখবে।

আরো পড়ুন: সকালে হাঁটার উপকারিতা

৩। বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করেঃ

নিয়মিত ব্যায়াম বা জিম করুন শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন। রোগ প্রতিরোধ করার অনেক প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে।

তবে নিয়মিত নির্দিষ্ট সময় ব্যায়াম করার দ্বারাও বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করা যায়। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় হাঁটলে স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

যে কোন ধরনের ব্যায়াম স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা ও কার্ডিওভাসকুলার ফিটনেস বৃদ্ধি পায় এবং শারীরিক গঠন উন্নত হয়।

৪। ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করেঃ

ইতোমধ্যে আমরা অনেকেই জানি পর্যাপ্ত হাঁটাহাঁটি করলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে না। যারা ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের উচিত খাবার নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নিয়মিত সকালে ও বিকালে ব্যায়ামের জন্য বের হওয়া।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট সকালে ও বিকালে নিয়মিত জজ্ঞিং বা যেকোনো ধরনের ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। যাদের নাই তাদের ও উচিত অন্ততপক্ষে সকাল ও বিকালে ২০ মিনিট করে হাঁটা। তাহলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

৫। মন মেজাজ ভালো ও উৎফুল্ল রাখেঃ

মন মেজাজ ভালো ও উৎফুল্ল রাখতেও এর ভূমিকা অনন্য। এটি আপনার মুড বা মেজাজ উন্নত করে এবং বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমায়।

ব্যায়াম মস্তিষ্কের যে অংশে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করে সেখানে ইতিবাচক পরিবর্তন তৈরি করে। এছাড়া

এটি মস্তিষ্কের হরমোন সেরোটোনিন এবং নরপাইনফ্রাইন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে, যা বিষণ্নতার অনুভূতি উপশম করে।

৬। পর্যাপ্ত ভালো ঘুমের জন্য উপকারীঃ

পর্যাপ্ত, প্রশান্তিতে ঘুমের জন্য ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। সকাল, বিকাল ব্যায়াম করলে অনেক উপকারের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে উপকারটা পাবেন, সেইটা হচ্ছে প্রশান্তিতে পর্যাপ্ত ঘুমাতে পারবেন।

শারীরিক ভাবে আমরা পরিশ্রম করলে, দেখবেন শরীরের ক্লান্তি চলে আসে ও খুব তারাতারি ঘুম চলে আসে।

৭। হাড়ের গঠনকে শক্তিশালী গড়ে তোলেঃ

ব্যায়াম বা জিম করার উপকারিতা গুলোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী এবং খুব তারাতারি যে ফল টা পাওয়া যায়, সেইটা হচ্ছে, হাড় গঠন। অর্থাৎ হাড়ের গঠন বৃদ্ধি করতে ও আরও শক্তিশালি করতে এটি যথেষ্ট অবদান রাখে।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের ফলে হাড়ের গঠন অনেক ভালো থাকে, পেশী সুস্থ এবং শক্তিশালী থাকে।

৮।উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করেঃ

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এর রয়েছে বিরাট ভূমিকা। নিয়মিত হাঁটার ফলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ফলে স্বল্প চেষ্টায় শরীরে বেশি পরিমাণে রক্ত সরবরাহ করতে পারে এবং ধমনীর ওপরও চাপ কম পড়ে।

উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে কম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাঁটা-চলা অনেকটা উচ্চ রক্তচাপরোধী ওষুধের মতো কাজ করে।

জিম করার কৌশল:

জিমের পূর্বে

পর্যাপ্ত ঘুমের প্রতি মনোযোগী হোন

যেকোনো ব্যায়াম শুরুর আগে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেয়া জরুরি। আর বিশ্রাম পুরোপুরি আসে ঘুম থেকে। ব্যায়াম ছাড়াও বিভিন্ন কাজে ফোকাস রাখার জন্য, শরীরকে জড়তামুক্ত রাখার জন্য এর বিকল্প নেই।

ঘুম আপনার হার্ট এবং ব্লাড ভেসেলগুলোর আরোগ্য লাভের ব্যাপারে সহযোগিতা করে। কিন্তু আপনি যদি পর্যাপ্ত না ঘুমান, তাহলে আপনার শরীরের লেপটিনের পরিমাণ কমে যাবে এবং ঘ্রেলিনের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

যে কারণে আপনার ক্ষুধা কমে যাবে এবং পর্যাপ্ত খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন না। এটি শরীরের জন্য আত্মঘাতী।

আরো পড়ুন: শরীরচর্চা করার উপকারিতা
২। পর্যাপ্ত পানি পান করুন

সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য পানির গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা প্রত্যেকেই অবগত। ফিটনেস রুটিনেও এটি বেশ বড় ভূমিকা পালন করে।

৩। হালকা খাবার খান

অনেকেই একবেলা খাবার খাওয়ার পর ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন।

যদি আপনার মনে হয় যে, আপনার পূর্বে কোনো জলখাবারের প্রয়োজন নেই, তাহলে জোর করে কিছু খাওয়া নিষ্প্রয়োজন!

কিন্তু যদি হালকা ক্ষুধা অনুভব করে থাকেন বা যদি দীর্ঘক্ষণ ব্যায়াম করার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে অবশ্যই হালকা নাস্তা করে যাওয়া উত্তম।

পরিধানের জন্য লাইটওয়েটের টি-শার্ট, ট্রাউজার, সোয়েটার জাতীয় কাপড় বাছাই করুন। খেয়াল রাখুন, এগুলো যেন পর্যাপ্ত ফ্লেক্সিবল হয় এবং সহজেই যেন এগুলো থেকে তাপ বের হতে পারে।

৫।ওয়ার্ম আপ (জিম করার কৌশল)

ওয়ার্ম আপ আপনার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে ‘রেঞ্জ অফ মোশন’ বৃদ্ধি করে। এছাড়াও জড়তা দূর করা সহ লম্বা সময় ধরে করা ব্যায়ামের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে।

জিমের পরে

১) স্ট্রেচিং

স্ট্রেচিং হচ্ছে প্রায় ওয়ার্ম-আপের বিপরীত। তবে অনেক ক্ষেত্রে এরা একই কাজ করে। একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর ব্যায়াম করার পর আমাদের পেশি শক্ত এবং সঙ্কুচিত হয়ে থাকে।

ব্যাপারটা যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি ক্ষতিকর। সঙ্কোচনের ফলে স্বাভাবিকভাবে পর্যাপ্ত রক্ত চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। স্ট্রেচিং এ সমস্যা থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করে।

২।ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করুন

ব্যায়ামের পরপরই ঠাণ্ডা পানিতে গোসল ধকলের পরিমাণ কমিয়ে আনে এবং নিরাময় ক্ষমতাকে ত্বরান্বিত করে। তাছাড়া এর মাধ্যমে শরীরে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।ভালো লাগলে অবশ্যই পাশে থাকবেন।

Photo Credit: Unsplash

সূত্র : অনলাইন

Categories
ঘরোয়া উপায় লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায় – গ্যাস্ট্রিক কমানোর উপায়

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায়:গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। খাবারে অনিয়ম, সচেতনতার অভাবে গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। আর একবার গ্যাস্ট্রিক হলে মুশকিল।

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায়:

আদা:

প্রতিদিন অল্প করে আদা খান । দেখবেন অল্প সময়ে হজম ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটবেই, সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমবে।

লবঙ্গ:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গে গ্যাস-অম্বলের বিরুদ্ধে কাজ করে ।  বেশি মাত্রায় খাবার খাওয়ার পর যদি বুক জ্বালা এবং ঢেঁকুর ওঠার সমস্যা, তাহলে ১-২ টি লবঙ্গ খেয়ে ফেলুন !

খাবার সোডা:

এক গ্লাসজলে ১ চামচ খাবার সোডা মিশিয়ে পান করুন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি পান করলে দেখবেন আর কোনোদিন অ্যাসিডিটি হবে না।

আরো পড়ুন: শরীরচর্চা করার উপকারিতা

দারুচিনি:

দারুচিনি একদিকে যেমন হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তেমনি পেটের সংক্রমণের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।  অল্প করে দারুচিনি দিয়ে  চা খেলে দারুণ উপকার মিলবে।

মৌরি:

মৌরিতে থাকা বিশেষ এক ধরনের তেল পাকস্থলির কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।

অ্যালোভেরা:

অ্যালোভেরায় উপস্থিত নানাবিধ খনিজ একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরায় উপস্থিত অ্যাসিড, স্টমাকে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কর্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তুলসী পাতা:

গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতে তুলসী পাতা দারুণ কাজে আসে। ৩-৫ টি তুলসি পাতা পানিতে ভিজিয়ে, সেই পানি ফুটিয়ে খেয়ে ফেলুন। দেখবেন চোখের পলকে অ্যাসিডিটি কমে যাবে।

ডাবের জল:

স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ স্বাভাবিক করতেও ডাবের জল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শুধু তাই নয়, শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত অ্যাসিডকে বের করে দিতেও এই প্রাকৃতিক উপাদানটি বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে।

তাই তো অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন ডাবেরজল খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিত্‍সকেরা।

বাদাম:

আপনি কি প্রায়শই অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগেন? তাহলে খাবার পরপরই ২-৩ টি বাদাম খান।

বাদামে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং অ্যালকেলাইন কমপাউন্ড, যা স্টামক অ্যাসিডিটির জন্য দায়ি অ্যাসিডদের ক্ষতি করার ক্ষমতা একেবারে কমিয়ে দেয়।

রসুন:

অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে রসুনের কোনো বিকল্প হয় না । এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেললেই স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক হতে শুরু করে। ফলে গ্যাস-অম্বল সংক্রান্ত নানা লক্ষণ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

আরো পড়ুন: সকালে হাঁটার উপকারিতা

দই:

দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়। ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

  1. প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন।
  2. দই আমাদের পাকস্থলীকে `এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া` থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  3. আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার জন্য।

শসা:

শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

পেঁপে:

পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম, যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা:

দীর্ঘ বিরতি দিয়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে এর মাঝে কলা খেয়ে নিন। এটি আপনাকে গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে রক্ষা করবে।

ক্ষুধা অনুভব করছেন কিন্তু খাবার খাওয়ার সময় নেই, এমন অবস্থায় ঝটপট একটি কলা খেয়ে নিন।

কমলা:

কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কলার সল্যুবল ফাইবারের কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা পেট পরিষ্কার রাখতে কাজ করে।

পুদিনা পাতা:

এক কাপ পানিতে পাঁচটা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

আরো পড়ুন: মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট

এসিডিটি প্রতিরোধ এর উপায়:

সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণের কোন বিকল্প নেই, এসিডিটির সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করতে হবে।

1.একবারে পেট ভর্তি করে খাওয়া যাবে না। বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণ।

2.অতিমাত্রায় চিনিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

3.খেতে হবে টাটকা খাবার।

4.ফ্রোজেন ফুড যথাসম্ভব না খাওয়াই ভালো।

5.নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে যা শরীরকে টক্সিন মুক্ত রাখে।

6.ঘুমাতে হবে ঠিকঠাক, মানুসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে।

7.রাতের খাবার ঘুমানোর অন্তত ২ঘন্টা আগে সেরে ফেলুন। খেয়েই শুয়ে পড়া অনুচিত, সামান্য হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

8.অতিরিক্ত ওজনকে না বলুন।

9.অবশ্যই ধূমপান ও মাদকদ্রব্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।

10.অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি খাদ্য ও বাইরের খাদ্যকে নিজ খাদ্য তালিকা থেকে বিদায় দিতে হবে।

আরো পড়ুন: চুল ঘন করার উপায়

11.অতিরিক্ত তেল ও মসলা জাতীয় খাবার খাওয়া যাবেনা।

12.তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার পরপরই পানি পান না করে, অন্তত ৩০মিনিট পর পানি পান করতে হবে।

13.ভারী খাবার যেমন, মাংস, বিরিয়ানি, চাইনিজ রাতে না খেয়ে সকালে বা দুপুরের মেন্যুতে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

14.বাসি, পঁচা খাবার খাওয়া যাবেনা।
Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

শরীরচর্চা করার উপকারিতা

শরীরচর্চা করার উপকারিতা: সুস্থ থাকতে কেবল স্বাস্থ্যকর খাবার নয়। প্রয়োজন রয়েছে নিয়মিত শরীরচর্চার। নিয়মিত ব্যায়াম ও শরীরচর্চা প্রতিরোধ করে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার ইত্যাদির মতো নানাবিধ জটিল রোগব্যাধি।

শরীরচর্চা করার উপকারিতা:

রোগ প্রতিরোধ করে:

গবেষণায় দেখা গিয়েছে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে নিয়মিত ব্যায়াম সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

এমনকি মানুষের মৃত্যুর হার কমিয়ে এনে দেয় অর্থাৎ দীর্ঘদিন সুস্থ দেহে বেঁচে থাকার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

আরো পড়ুন: সকালে হাঁটার উপকারিতা

ক্যান্সার প্রতিরোধ:

২৭টি কেইস সরাসরি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে বিভিন্ন ক্যান্সার যেমন- স্তন, কোলন ইত্যাদির ঝুঁকির পরিমাণ কমে যায় যদি কেউ নিয়মিত শরীরচর্চা করে থাকে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে:

সুস্থ থাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল শরীরের বাড়তি ওজন ও মেদ ঝরিয়ে ফেলা। কিন্তু বাড়তি ওজন কমাতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই।

শারীরিক চর্চা করলে ক্যালোরি খরচ হয়। এভাবে আমরা যতই ব্যায়াম করবো ততই আমাদের ক্যালোরি খরচ হবে এবং যার ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

মস্তিষ্কের দক্ষতা বৃদ্ধি:

দৈনিক ৩০ মিনিট এরোবিক (Aerobic) ব্যায়াম ( দৌড়ানো, জগিং, সাঁতার, সাইক্লিং ইত্যাদি) করলে মানুষের মস্তিষ্কের উল্লেখযোগ্য হারে উন্নতি ঘটে।

আরো পড়ুন: মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট

বিষন্নতা দূর করে:

গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যায়াম বা যোগ-ব্যায়াম মানুষের জন্য এন্টি-ডিপ্রেশন হিসেবে কাজ করে। ২০১৫ সালের এই গবেষণায় এর প্রমান পেয়েছি এবং এই গবেষণায় কিছু গাইডলাইন ও দেয়া হয় ব্যায়ামকে এন্টি-ডিপ্রেশন হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য।

শরীরকে করে শক্তিশালী

মাংসপেশীর গাঁথুনি যার যত ভালো, সে ততো বেশি শক্তিশালী। ব্যায়াম প্রতিটি পেশীকে আলাদা আলাদা ভাবে গড়ে তোলে।

পুরো ব্যাপারটা দাঁড়াচ্ছে আপনার উপর। কারণ আপনি ঠিক যেভাবে আপানার পেশীকে শক্তিশালী করতে চান, সেভাবেই করতে পারবেন।

সুনিদ্রা বাড়ায়:

আপনি কি ঘুমের জন্য সংগ্রাম করছেন অথবা নিদ্রাবিহীন রাত যাপন করে চলেছেন? তাহলে প্রতিদিন সকাল কিংবা বিকেলে পরিমিত ব্যায়াম হতে পারে সুনিদ্রা আনয়নের বড় দাওয়াই।

পরিমিত ব্যায়ামের ফলে শুলেই আপনার দুচোখজুড়ে ভর করবে রাজ্যের ঘুম। সেইসঙ্গে বেড়ে যাবে আপনার ঘুমের গাঢ়তা।

আরো পড়ুন: চুল ঘন করার উপায়

যদিও বিছানায় যাওয়ার ঘণ্টা দুই আগে অতিরিক্ত ব্যায়াম সুনিদ্রা আনয়নে সহায়ক নয়।

তাই আপনি যদি নিদ্রাহীনতায় ভুগে থাকেন তবে প্রাত্যহিক সকালে কিংবা বিকেলে পরিমিত ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই।

আর একটি রাতের সুনিদ্রা বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে আপনার কাজের একাগ্রতা ও উৎপাদনশীলতা। দেহে ও মনে জেগে উঠবে আনন্দের ভাব।

এই ছিলো শরীরচর্চা করার উপকারিতা ভালো লাগলে ,অবশ্যই লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন।

Photo Credit: Pixabay

সূত্র : অনলাইন

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

সকালে হাঁটার উপকারিতা

সকালে হাঁটার উপকারিতা জানলে আপনিও হাঁটবেন। প্রতিদিন সকালে মাত্র ২০-৩০ মিনিট হাঁটা সারা দিন ভালো কাটাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

সকালে হাঁটার নিয়ম:

হাঁটতে যাওয়ার আগে লক্ষ্য রাখুন আপনার পোশাকটি যথেষ্ট আরামদায়ক এবং হাঁটার উপযোগী কিনা। ঢিলে ঢালা পোশাক পরে নিন।

হাঁটার জন্য আরামদায়ক জুতো। সঙ্গে খাবার পানি রাখুন। প্রতি ১৫ মিনিট পর পর পানি খান অল্প করে। তাহলে সকালের হাঁটার অভ্যাসটা উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

সকালে হাঁটার স্বাস্থ্য উপকারিতা:

দীর্ঘজীবী:

প্রতিদিন সকালের মর্নিং ওয়ার্কের সময় বিশুদ্ধ বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ আপনার হৃৎপিণ্ড ও মনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। হাঁটার সময় হৃৎপিণ্ড শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করে। ফলে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ ও সচল থাকে এবং মানুষ দীর্ঘজীবী হয়।

স্মৃতিশক্তি:

সকালে প্রতিদিন কিছুক্ষণ করে হাঁটলে ফুসফুসে তাজা বাতাস প্রবেশ করার সুযোগ পায়। এই বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে হৃৎপিণ্ড রক্তকে বিশুদ্ধ করে এবং অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত মস্তিষ্কে সরবরাহ করে। ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (সকালের হাঁটার উপকারিতা):

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সকালে নিয়মিত হাঁটলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। নিয়মিত সকালে হাঁটলে রক্তের লোহিত কণিকাগুলো থেকে চর্বি ঝরে যায়। এছাড়াও হাঁটার সময় রক্তের ইনসুলিন ও গ্লুকোজ ক্ষয় হয়। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে।

ত্বক:

প্রতিদিন সকালে হাঁটলে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়। ফলে ত্বকের লোমকূপ গুলো খুলে যায় এবং শরীরের দূষিত পদার্থগুলো ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। ফলে ত্বক উজ্জ্বল ও লাবন্যময় দেখায়।

মেদ কমায়:

নিয়মিত সকালে হাঁটলে মেদ ভুড়ির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। হাঁটলে প্রচুর ক্যালরি ক্ষয় হয়। ফলে নিয়মিত কম ক্যালরির খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটলে মেদ কমে এবং দেহের আকৃতি সুন্দর হয়।

দৃষ্টি শক্তি( সকালের হাঁটার উপকারিতা):

প্রতিদিন কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমাদের চোখের বারোটা বেজে যাচ্ছে। চোখকে কিছুটা আরাম দিতে এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন সকালে হাঁটার বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালে খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।

আরো পড়ুন: কর্পূরের উপকারিতা

মানসিক চাপ (সকালের হাঁটার উপকারিতা) :

প্রতিদিন হাঁটতে বেড়িয়ে সকালের সুন্দর স্নিগ্ধতা উপভোগ করতে কার না ভালো লাগে বলুন! প্রতিদিন সকালের সুন্দর পরিবেশ ও কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি আপনার মন ভালো করে দিতে পারে নিমিষেই। প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ হেটে আসলে সারাদিন কাজের উৎসাহ বাড়ে এবং মানসিক চাপ কমে যায়।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:

প্রতিদিন সকালে হাঁটলে শরীরের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত এবং অক্সিজেন পৌঁছে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সহজেই অসুখে পরার প্রবণতা কমে।

সকালে হাঁটার উপকারিতা:

হাঁটার উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।স্বাস্থ্য গবেষণায় দেখা গেছে-
১.হাঁটা রক্তচাপ কমায়
২.হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
৩.অতিরিক্ত মেদ কমায়
৪.রক্তের সুগার কমায়
৫.ওজন কমায় ও নিয়ন্ত্রণ করে
৬.ব্লাড প্রেসার, কোলেস্টেরল, আন্থ্রাইটিস, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রন করে
৭.হার্টের সমস্যা,স্ট্রোক হবার ঝুঁকি কমায়
৮.হাঁড় শক্ত করে
৯.রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে

আরো পড়ুন: আখরোটের উপকারিতা

১০.ফলে হার্ট ভালো থাকে, শরীরের সামগ্রিক শক্তি বা ফিটনেস বাড়ে
১১.ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমায়
১২.মাসেলের শক্তি বাড়ায়
১৩.হেলদি বিএম আই ধরে রাখে বা অর্জন করা যায়
১৪.হেলদি ওয়েস্ট টু হিপ রেসিও ধরে রাখে বা অর্জন করা যায়,
১৫.মেটাবলিজম বাড়ায়
১৬.শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ভালো থাকে
১৭.তারুণ্য ধরে রাখে
১৮.আয়ু বাড়ায়
১৯.ব্রেইনের কার্যকারিতা বাড়ায়
২০.ভালো ঘুম হয়
২১.স্মরণ শক্তি বাড়ায়
২২.মন প্রফুল্ল রাখে, মানসিক অবসাদ দূর করে ও মন ভালো করে
২৩.মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়
২৪.ভাল কলেষ্টেরল এইচডিএল বাড়ায় আর মন্দ কলেষ্টেরল এলডিএল কমায়
২৫.রক্ত নালীর দেয়ালে চর্বি জমতে দেয়না
২৬.হাঁটলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে
২৭.ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখে
২৮.হাঁটার ফলে পেশীর শক্তি বাড়ে
২৯.হাঁটা হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
৩০.শরীরের ওজন ঠিক থাকে আর শরীর থাকে ফিট

সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্ন উত্তর:

শুধু কি ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার, হৃদরোগ হলেই হাঁটব?

ডাক্তার সাহেব বলেন যে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি আপনাকে হাঁটতে হবে, তখন আমরা হাঁটি। পারলে দৌড়ানোর চেষ্টা করি।কিন্তু অসুখ হলেই হাঁটব এটা ঠিক নয়।সব সুস্থ মানুষের সুস্থতাকে ধরে রাখার জন্য হাঁটা আবশ্যক।
সকালে হাঁটার স্বাস্থ্য উপকারিতা চলুন সবাই হাঁটি

কতক্ষন এবং কতদিন হাঁটবেন?

হাঁটার উপকার পেতে অবশ্যই নিয়মিত এবং সপ্তাহে অন্তত চার বা পাঁচ দিন হাঁটতে হবে, তবে সপ্তাহে সাত দিন হাঁটতে পারলে তা হবে সোনায় সোহাগা। হাঁটতে হবে ৩০/৪০ থেকে ৬০ মিনিট ধরে।

কখন হাঁটবেন ?

  • হাঁটা হাঁটির সর্বোত্তম সময় হচ্ছে ভোর বেলা, যারা নামাজ পড়েন তাদের জন্য ফজরের নামাজের পর।
  • আপনার সুবিধামত সময়ে হাঁটতে পারেন। তবে শরীরের কথা চিন্তা করলে বিকালে হাঁটা সবচেয়ে ভালো।  তবে
  • আপনি যখনি সময় পান সুবিধা মত সময়ে হেটে নিবেন। চেষ্টা করবেন প্রতিদিন একই সময়ে হাঁটতে।

কোথায় হাঁটবেন ?

চেষ্টা করুন সুন্দর, দূষণ মুক্ত পরিবেশে হাঁটতে।

হাঁটার সময় অন্যান্য কাজ:

আপনি ইচ্ছে করলে হাঁটার সময়টুকুতে পরিকল্পিত ভাবে অন্যান্য কাজও সেরে নিতে পারেন। যারা লেখালেখি করেন তারা হাঁটতে হাঁটতে মনে মনে বিভিন্ন টপিক্স নিয়ে চিন্তা করতে পারেন। মোবাইলে রেকর্ডিং করে কুরআন, লেকচার শুনতে শুনতে হাঁটতে পারেন। যে কাজটি করা সম্পূর্ণ নিষেধ তা হলো টেনশন। সর্বাবস্থায় টেনশন মুক্ত থাকতে হবে।

আরো পড়ুন: পাথরকুচি পাতার উপকারিতা

খালি পায়ে হাটা:

খালি পায়ে হাটা ও দৌড়ানো অনেক ক্ষেত্রেই জুতা পরে হাটার চেয়ে বেশি উপকারী।না।

শেষ কথা:

অনেক অসুস্থ মানুষও এই হাঁটাকে ব্যায়াম হিসেবে নিতে পারেন। শুরু হোক ধীরে ধীরে। প্রথম দিন ১০-১৫ মিনিট। এরপর গতি বাড়ান, সময় বাড়ান। ২০-৩০ মিনিট। এরপর শীতল হন ১০ মিনিট। পাঁচ-১০ মিনিট ধীরে হেঁটে শীতল হন। ব্যয়বহুল জিম থেকে নিখরচায় হাঁটা অনেক ভালো।

Categories
ডায়েট চার্ট নারী লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট – মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট: মেয়েদের ওজন কামানোর উপায়গুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে ঘুম, পরিমিত খাওয়া, সবসময় হাসি খুশি থাকা, শরীরের যত্ন নেয়া এবং কিছু ব্যায়াম করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া মেয়েদের সমস্যার শেষ নেই। শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক এমনি বন্ধুদের মধ্যেও সে হাসির পাত্র এবং বৈষম্যের শিকার। আর আমাদের দেশে এটা আরো ভয়াবহরূপে দেখা যায়। বিশেষকরে বিয়ের সময়, এমনকি চাকরির সময়ও মুটিয়ে যাওয়া মেয়েদের নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়।

মেয়েদের ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট:

সকালের নাস্তা :


খাবারের নাম          পরিমাণ           ক্যালোরির পরিমাণ


সিদ্ধ ডিম                    ১                         ৮০


ডিম পোচ                     ১                         ৮০


ডিম ভাজি                     ১                        ১১০


ডিমের ওমলেট               ১                        ১২০


এক স্লাইস পাউরুটি          ১                        ৪৫


এক স্লাইস পাউরুটি + বাটার  ১                     ৯০


রুটি বা চাপাতি                 ১                       ৬০


পরোটা                            ১                     ১৫০


সবজি                          ১ কাপ                  ১৫০


আরো পড়ুন: উজ্জল ত্বক ধরে রাখতে আলুর চারটি ফেসপ্যাক!

লাঞ্চডিনার:


খাবারের নাম          পরিমাণ           ক্যালোরির পরিমাণ


সাদাভাত                ১ কাপ                     ১২০


ফ্রাইড রাইচ            ১ কাপ                      ১৫০


বিরিয়ানী                 ১ কাপ                      ২০০


চাপাতি                    ১                            ৬০


পুরি                        ১                           ৭৫


পরোটা                     ১                             ১৫০


নানরুটি                    ১                               ১৫০


ডাল                         ১ কাপ                     ১৫০


দই                            ১ কাপ                    ১০০


সবজির তরকারী            ১ কাপ                    ১৫০


মাংস                         ১ কাপ                    ১৭৫


সালাদ                       ১ কাপ                      ১০০


কাটলেট                     ১                             ৭৫


আচার                       ১ টে.চা.                    ৩০


ক্লিয়ার স্যুপ                ১ কাপ                       ৭৫


ঘন স্যুপ                   ১ কাপ                        ৭৫


ফল                          ১ টা                        ১৫০


 

এখন কি পরিমাণ ক্যালোরি খাবেন তা মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে। উপরের তালিকা অনুসারে প্রতিদিন ৫০০ ক্যালোরি কিংবা তার কম খাওয়ার চেস্টা করবেন। এবং শারিরিক ভাবে নিজেকে একটিভ রাখার।

ওজন কমানোর উপায়:

অ্যাভোকাডো:

অর্ধেকটা অ্যাভোকাডোতে রয়েছে ১০ গ্রাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট। মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং পেটে মেদ জমতে বাঁধা প্রদান করে। কলামবাস-এর ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখেছে যে, যারা তাদের সালাদে অ্যাভোকাডো রাখেন তারা ১৫ গুণ বেশি ক্যারটিনয়েড শোষণ করার ক্ষমতা রাখে।

 কলা:

একটি কলাতে ৪২২ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে, যা আপনার শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

কাঠবাদাম:

কাঠাবাদাম আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখে। শুধু তাই নয়, এটি একটি উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার যা আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া এতে রয়েছে ওমেগা ৩ যা আপনাকে অ্যানার্জি দেওয়ার সাথে সাথে মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। যেকোনো স্মুদিতে এক মুঠো কাঠাবাদাম দিয়ে দিন স্মুদি সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি আরো বেশি পুষ্টিকর হবে।

আরও পড়ুন: মাত্র একদিনে ব্রণ সারানোর উপায়

টকদই:

পেটের মেদ কমাতে বেশ কার্যকর একটি খাবার হলো টকদই। এতে রয়েছে কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া যা আপনার হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বৃটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশন-এর মতে, যারা নিয়মিত টকদই গ্রহণ করেন তারা দ্বিগুণ বেশি দ্রুত ওজন কমাতে পারে যারা টকদই গ্রহণ করেন না তাদের চেয়ে। প্রতিদিনের সালাদ কিংবা স্মুদিতে টকদই রাখুন।

ওটমিল:

ওটসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হজম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি আপনার পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভরিয়ে রাখবে। এরসাথে এটি আপনাকে অনেক বেশি অ্যানার্জি দিবে। সকালের নাস্তায় কাঠবাদাম দিয়ে এক কাপ ওটমিল রাখতে পারেন। ওটমিল কেনার সময় নন- ফ্লেভার ওটমিল কিনবেন, ফ্লেভারড ওটমিলে চিনি এবং কেমিক্যাল রয়েছে যা আপনার স্বাস্থ্যেরর জন্য ক্ষতিকর।

তরমুজ:

তরমুজের সময় চলছে।। বাজার ছেয়ে গেছে তরমুজ দিয়ে। এই তরমুজও আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। ইউনিভার্সিটি অফ কেনটাকি-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন তরমুজের জুস শরীরের মেদ কমানোর পাশাপাশি কোলেস্টেরল মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডার্ক চকলেট:

চকলেট খেতে পছন্দ করেন? মোটা হওয়ার ভয়ে চকলেট খেতে পারছেন না? এবার এই চকলেট আপনার মেদ কমাবে। মিল্ক চকলেট খাওয়ার পরিবর্তে ডার্ক চকলেট খাওয়া শুরু করুন। ডার্ক চকলেটে ৬০%-এর চেয়ে বেশি কোকো থাকে। এটি আপনার ইনফ্লামেশন কমাবে এবং মিষ্টি খাবার খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস করবে।

শসা:

আপনি যদি স্ন্যাকস হিসেবে চিপস, কেক কিংবা মিষ্টি কোনো খাবার খেয়ে থাকেন, তবে সেটি আজই বন্ধ করুন। এটি আপনার পেটের মেদকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করছে। এর পরিবর্তে সাথে শসা রাখুন। এটি আপনার ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি দীর্ঘসময় পেট ভরিয়ে রাখবে।

 গ্রিন টি:

প্রতিদিন দুই কাপ গ্রিন টি পান করুন, এটি আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করবে এবং ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করবে, মেডিসিন অ্যান্ড সাইন্স ইন স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ-এর গবেষণা থেকে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। গ্রিন টিতে রয়েছে ইসিজিসি নামক উপাদান যা পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।

পেঁপে:

চির পরিচিত পেঁপে ফলটিও আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। এতে রয়েছে প্রোটোলাইটিক এনজাইম যা হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। যা মেদ কমিয়ে আপনাকে দিবে পারফেক্ট ফিগার।

এই তো জেনে নিলেন পেটের মেদ কমাবে এমন ১০টি মজাদার খাবারের কথা। আশা করছি একটু হলেও আপনাদের জন্য হেল্পফুল হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এবন ফিট থাকুন।

আরও পড়ুন: শ্যাম্পুর সাথে চিনি ব্যবহারের উপকারিতা

সূত্রঃ shajgoj

লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

Categories
রোগ প্রতিরোধ স্বাস্থ্য

জেনে নিন অতিরিক্ত ঘুম শরীরের যেসব ক্ষতি করতে পারে? – জানা জরুরি

ব্যস্ত জীবনে শরীরকে সুস্থ রাখা যেন একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাকে স্কুলের জন্য তৈরী করা তারপর বাড়ির টুকটাক কাজ, তারপর টিফিন গুছিয়ে বর ও নিজে বেরিয়ে পড়া অফিস এর উদ্দেশ্যে। কাজের চাপ এ যেন জল খাওয়াটুকুর সময় পাওয়া যায়না, কিন্তু যেই লাঞ্চ হলো তারপর থেকেই চোখ বুজে আসে ঘুমে। কাপের পর কাপ কফি খেয়েও যেন ঘুম তাড়ানোই যায়না। এ এক বিশাল জ্বালা। যারা কর্মরতা শুধুমাত্র তাদেরই যে ব্যস্ততায় দিন কাটে তা কিন্তু নয় , যারা বাড়িতে থেকে সারাদিন ধরে সংসার সামলান , তাদের ব্যস্ততা কোনো অংশেই কম নয় । কিন্তু আপনার যদি সারাখুনই ঘুম পাই এবং ঘুমিয়েও পড়েন তাহলে কিন্তু সেটা বেশ চিন্তার বিষয়।

অতিরিক্ত ঘুমের কারণ
শারীরিক এবং মানসিক নানা কাজের চাপে অতিরিক্ত ঘুম পায়, তাছাড়াও আরো কিছু কারণ রয়েছে সেগুলি হলো-

  •  রাতে অনেকেই আছে যারা অনেক রাত করে ঘুমোন তাই পর্যাপ্ত ঘুম হয়না আর সারাদিন ঘুম পায় শরীরে অস্বস্তি লেগেই থাকে।
  • আজকাল লাইফস্টাইল এর জন্য অসুখ নিত্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে, মহিলাদের থাইরয়েডে, পি সি ও ডি, মধুমেহ ইত্যাদি সমস্যা থাকে। এগুলো কিন্তু শরীরে ক্লান্তি আনে এবং ফলস্বরূপ অতিরিক্ত ঘুম পায়।
  • জীবনে নানান প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে আমাদের যেতে হয়, সে কাজের চাপ হোক বা টাকাপয়সার চিন্তা বা শরীরের চিন্তা এসব নানান সমস্যার জন্য অনেকসময় অবসাদ হয়, শুধু শরীর খারপ হলেই যে ঘুম পায় তা কিন্তু নয় মানসিক ক্লান্তিতেও আমাদের বড্ডো বেশি ঘুম পায়। তাই নিজেই নিজের অবসাদ গুলো চিনে সেটা কাটিয়ে তোলার ব্যবস্থা করুন।
Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ ঘরোয়া উপায় স্বাস্থ্য

আদা খাওয়ার উপকারিতা – Jana Joruri

আদা খাওয়ার উপকারিতা: রান্নার স্বাদ বাড়াতে আদার ব্যবহারের কথা সকলের জানা। কিন্তু জানেন কি, আদা শরীরের নানা জটিল ও ভয়ানক রোগের মোকাবিলায় কেমন অব্যর্থ।

আদায় উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করতে সহায়তা করে। রান্নার চেয়ে কাঁচা আদার পুষ্টিগুণ বেশি। চলুন জেনে নিই আদার নানা গুণ সম্পর্কে :

১০০ গ্রাম আদায় রয়েছে –

এনার্জি: ৮০ ক্যালরি
কার্বোহাইড্রেট: ১৭ গ্রাম
ফ্যাট: ০.৭৫ গ্রাম
পটাশিয়াম: ৪১৫ মিলিগ্রাম
ফসফরাস: ৩৪ মিলিগ্রাম

জ্বর, ঠাণ্ডায় উপকার :

জ্বর, ঠাণ্ডা, শরীর ব্যথায় আদা বেশ উপকারী। বডি টেম্পারেচারের ভারসাম্য ধরে রাখতে সহায়তা করে আদা। ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমা, মাইগ্রেনের সমস্যা কমাতে আদা কুচি করে নিয়মিত খেলে উপকার মেলে।

আর্থ্রাইটিসের ব্যথা দূর :

আদা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে হাড়ের জোড়ায় সৃষ্ট ব্যথা এবং আর্থ্রাইটিসে আক্রান্তদের প্রদাহ দূর করে। আদাতে উপস্থিত জিঞ্জারোল নামের প্রদাহরোধী উপাদানটি প্রদাহজনক সাইটোকিন গঠন প্রক্রিয়াকে দমন করে। মাংসপেশির ব্যথা লাঘব : জিমে ব্যায়াম করতে যাওয়ার আগে আদা খেলে ব্যথা কম হয়। কারণ আদা একটি প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী এবং প্রদাহরোধী উপাদান হিসেবে কাজ করে।

পেট ফাঁপা দূর :

বমিভাব দূর করা ছাড়াও হজম শক্তি বাড়াতে এবং অস্বস্তিদায়ক পেট ফাঁপা থেকে রক্ষা করে আদা।

স্মৃতিশক্তির সংরক্ষণ :

মস্তিষ্কের আলঝেইমারস রোগের সমস্যায় উপকারী আদা। মস্তিষ্কে অপ্রয়োজনীয় অ্যামিলয়েড প্রোটিন জমা হওয়ার মাধ্যমে এই রোগের সৃষ্টি হয়। আদা এই স্নায়ুক্ষয়ী প্রোটিন থেকে মস্তিষ্কের কোষগুলোকে প্রতিরক্ষা দিতে সক্ষম।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে :

আদা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায় বলে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ সহজে নিয়ন্ত্রণে আসে। নিয়মিত আদা খেলে ইনসুলিনের ব্যবহারও কমে যায়।

রক্ত জমাট রোধে :

রক্তের জীবাণু দূর করতে আদা বেশ সহায়ক। শরীরের জমাট রক্ত দূর করতে সাহায্য করে আদা। আদার নানা উপকারিতা থাকলেও গর্ভবতী নারী ও দাঁতে সমস্যা আছে এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আরো কয়েকটি আদা খাওয়ার উপকারিতা

  • ১। মাথা ব্যথা ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে খেটে পারেন আদার চা। রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে আসবে, মাথাব্যথারও উপশম হবে।
  • ২। মাতৃত্বকালীন বমি বমি ভাব কিছুটা হলেও কমায় আদা।
  • ৩। শরীরের জয়েন্টে ব্যথা হলে আদা কুচি কুচি করে খেলে আরাম পাওয়া যায়।
  • ৪। শ্বেতী রোগ ? আদা বেঁটে দিনে তিন থেকে চার বার লাগান। চার থেকে বারো সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহারে উপকার পাবেন।
  • ৫। নিয়মিত আদা খেলে অফুরান প্রাণশক্তি পাওয়া যায়। কমে যায় রোগব্যাধি।
  • ৬। খাবার হজম হচ্ছে না ? পেটে গুড় গুড়, আদাজল খেয়ে নিন। আরাম পাবেন।
  • ৭। অপারেশনের পর কাঁচা আদা খান, দ্রুত সেরে উঠবেন।
  • ৮। সর্দি লাগলে আদা কুচি করে রুমালে নিয়ে নাকে ঝাঁজ নিন। বন্ধ নাক খুলে যাবে।
  • ৯। ভ্রমণের সময় বমি ভাব এলে যদি মুখে এক টুকরো আদা দেন দেখবেন বমি ভাব উধাও।
  • ১০। হজমে গোলযোগ হলে আদা কিংবা আদা চা খেতে পারেন। দ্রুত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।
  • ১১। শীতকালে অনেকেরই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এই শ্বাসকষ্টের বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ এক ক্ষমতা আছে আদায়। এ ছাড়া বুকে কফ জমে কিংবা ঠান্ডা লেগে যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়, তাদের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হলো আদা।
  • ১২। এতে থাকা ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যামাইনো অ্যাসিড শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং হৃৎপিণ্ডকে কর্মক্ষম রাখে। এটি ধমনি থেকে অতিরিক্ত চর্বি সরিয়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমিয়ে দিতে পারে।
  • ১৩। রক্ত সঞ্চালনের গতিকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে দিতে পারে এই মসলা। এর উপাদানগুলো পেশির কর্মদক্ষতাÿবাড়ায়। আবার ব্যথা প্রশমনেও কার্যকর।
  • ১৪। অনেক কারণে আমরা মানসিক চাপ ও অস্থিরতায় ভুগে থাকি। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদায় থাকা কিছু উপাদান মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে।
  • ১৫। মাসিকের সময় অনেকেরই তল পেট ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দিতে পারে, এ ধরনের সমস্যা এড়াতেও আদা খেয়ে দেখতে পারেন।

কাঁচা আদার উপকারিতা

আদা খাওয়ার উপকারিতা জেনে নেওয়া যাক-

পরিপাক নালির প্রদাহ কমাতে আদার জুড়ি মেলা ভার। পাচক রস নিঃসরণে সহায়তা করে আদা। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য আদা খুবই উপকারী। গর্ভাবস্থায় বমির ভাব কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মর্নিং সিকনেস প্রতিরোধও করে আদা। পেশির ব্যথায় আদা উপকারী। ২৫ শতাংশ পেশির ব্যথা কমাতে সক্ষম আদা।

গবেষণায় জানা গিয়েছে, আদা খুব তাড়াতাড়ি গাঁটের ব্যথা কমাতে এবং গাঁটের ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। তিন দিন মাত্র তিন গ্রাম আদার গুঁড়ো খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা দ্রুত হ্রাস পায়। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক কমে। ১২ সপ্তাহ ধরে দৈনিক ২ গ্রাম আদা খেলে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে যায়।

ক্যানসার প্রতিরোধেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারে আদা। আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান।

আরো পড়ুনঃ

দেখে নিন, সকালে উঠে খালি পেটে কোন খাবার বেশি স্বাস্থ্যকর?

সতর্কতা –
১. গলস্টোনের সমস্যা থাকলে কত পরিমাণ আদা খাবেন, ডাক্তারের থেকে জেনে নিন।
২.গর্ভাবস্থায় সারা দিনে ২৫০ গ্রামের বেশি আদা খাবেন না। ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়।

Categories
লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য

স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির খাবার – JanaJoruri

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও অনেক জরুরী। মানসিক চাপ,উদ্বেগ,স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি কারণে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপে ক্ষতি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছুটা সংযোজন বিয়োজন করলে আপনার বুদ্ধি খুলবে এবং স্মৃতিশক্তিও আগের চেয়ে বাড়বে।

জামের মিল্ক শেক:

দুধের উপকারিতার কথা আমাদের বলার অপেক্ষা রাখে না। দুধের সাথে জাম মিশিয়ে মিল্ক শেক বানিয়ে খেলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। জাম ব্লাড প্রেসারের পরিমাণ ঠিক রাখে শরীরে। সেই সাথে কোলেস্টোরেলের পরিমাণ কমায়। এতে করে মস্তিষ্ক ভালো থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়

ডালিমের রস:



আরও পড়ুন| স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহজ কয়েকটি উপায়

ডালিমে প্রচুর পরমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া ডালিম খেলে ব্লাড সার্কুলেশন স্বাভাবিক থাকে যা মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ করে। দুপুরে খাবারের আগে বা পরে ডালিমের শরবত খেলে মস্কিষ্ক সুস্থও স্বাভাবিক থাকে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

কোকোয়া:

কোকোয়ার উপকারিতার কথা একবারে বলে শেষ করা যাবে না। হার্টের অবস্থার উন্নতি,স্মৃতিশক্তি বাড়াতে, রক্তচাপ কমাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে কোকোয়া। এছাড়া স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। খাবার তালিকায় কোকোয়ার শরবত রাখলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত হয়। তবে চিনি ,ক্রিম বা অতিরিক্তি দুধ কোনটাই যোগ করবেন না কোকোয়ার সাথে এতে করে ভালো গুণটি চলে যেতে পারে।