Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

নিম্নলিখিত লেনদেনগুলাে দ্বারা জেরিন এন্টারপ্রাইজের দু’ঘরা নগদান বই প্রস্তুত

নিম্নলিখিত লেনদেনগুলাে দ্বারা জেরিন এন্টারপ্রাইজের দু’ঘরা নগদান বই প্রস্তুত করা।

  1. ২০২০ জুলাই-১, হাতে নগদ ৮০,০০০ টাকা ও ব্যাংক উদ্বৃত্ত ১,০০,০০০ টাকা
  2. জুলাই-২, নগদে পণ্য ক্রয় ২০,০০০ টাকা
  3. জুলাই-৪, চেকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় ৬০,০০০ টাকা
  4. জুলাই-১০, ব্যাংক হতে উত্তোলন ২৫,০০০ টাকা
  5. জুলাই-১৫, চেক দ্বারা আসবাবপত্র ক্রয় ৪০,০০০ টাকা
  6. জুলাই-২০, ব্যাংক কর্তৃক প্রাপ্য বিল আদায় ৫০,০০০ টাকা
  7. জুলাই-২৫, চেকের মাধ্যমে দেনা পরিশােধ ২০,০০০ টাকা
আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 

উত্তর:

class 9 assignment 6th week Accounting science
class 9 assignment 6th week Accounting science

ক) নিম্নলিখিত লেনদেনগুলাে হতে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানগুলাে চলমান জের ছকে প্রস্তুত কর।

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট:

#নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

নিম্নলিখিত লেনদেনগুলাে হতে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানগুলাে চলমান জের ছকে প্রস্তুত

ক) নিম্নলিখিত লেনদেনগুলাে হতে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানগুলাে চলমান জের ছকে প্রস্তুত কর।

class 9 assignment 6th week Accounting science

শ্রাবণী ট্রেডার্স ২০২০ সালের ১ জুন নগদ ৫০,০০০ টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়ােগ করে।

  1. জুন-৫, পণ্য বিক্রয় ধারে ১,৩০,০০০ টাকা
  2. জুন-১০, দেনাদার হতে আদায় ১,০০,০০০ টাকা
  3. জুন-২০, অতিরিক্ত মূলধন আনা হলাে ২০,০০০ টাকা।

শ্রাবণী ট্রেডার্স এর

চলমান জের

১। নগদান হিসাব:

তারিখ বিবরণ জা: পৃ: ডেবিট ক্রেডিট জের/ব্যালেন্স
ডেবিট ক্রেডিট
জুন-১

জুন-১০

জুন-২০

মূলধন হিসাব

দেনাদার হিসাব

মূলধন হিসাব

৫০০০০

১০০০০০

২০০০০

৫০০০০

১৫০০০০

১৭০০০০

২। মূলধন হিসাব:

তারিখ বিবরণ জা: পৃ: ডেবিট ক্রেডিট জের/ব্যালেন্স
ডেবিট ক্রেডিট
জুন-১

জুন-২০

নগদান হিসাব

নগদান হিসাব

৫০০০০

২০০০০

৫০০০০

৭০০০০

৩। দেনাদার হিসাব:

তারিখ বিবরণ জা: পৃ: ডেবিট ক্রেডিট জের/ব্যালেন্স
ডেবিট ক্রেডিট
জুন-৫

জুন-১০

বিক্রয় হিসাব

নগদান হিসাব

১৩০০০০

২০০০০

 

১০০০০০

১৩০০০০

৩০০০০

 ৪। বিক্রয় হিসাব:

তারিখ বিবরণ জা: পৃ: ডেবিট ক্রেডিট জের/ব্যালেন্স
ডেবিট ক্রেডিট
জুন-৫ দেনাদার হিসাব ১৩০০০০ ১৩০০০
আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 
class 9 assignment 6th week Accounting science
class 9 assignment 6th week Accounting science

খ)নিম্নলিখিত লেনদেনগুলাে দ্বারা জেরিন এন্টারপ্রাইজের দু’ঘরা নগদান বই প্রস্তুত করা।

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট:

#নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

উদ্দীপকের X ও Y অঞ্চলের ভূমিরূপের মধ্যে কী কী সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? মতামত দাও।

উদ্দীপকের ‘X’ ও ‘Y’ অঞ্চলের ভূমিরূপের মধ্যে কী কী সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? মতামত দাও:

উদ্দীপকের x ও y অঞ্চলের ভূমির সাদৃশ্য নিম্নরূপ :

অঞ্চলের ভূমির ক্ষেত্রে প্রধান নদীর আশেপাশে এবং নিকটবর্তী এলাকায় যেখানে বার্ষিক প্লাবনের সময় কালে নদীর গতি পরিবর্তনের ফলে পলি সঞ্চয়ন এবং ক্ষয় সংঘটিত হয়ে থাকে, সে সমস্ত এলাকা জুড়ে সক্রিয় প্লাবন সমভূমি।

এই প্লাবন সমভূমি তে নতুন নতুন সঞ্চিত পলি রাশি বিভিন্ন স্তরে স্তরে স্তরীভূত হয়ে থাকে সাধারণত সূক্ষ্ম পলি এবং কর্দম সঞ্চয়ন মিহি স্তরে স্তরীভূত হয় এবং বালি ও পলির মিশ্রণ স্তরে সজ্জিত হয়।

এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে মাটি গঠনকারী প্রধান নদীখাত অন্যত্র সরে যাওয়ায় নবীন এবং প্রবীণ প্লাবন সমভূমি সমূহ মূলত স্থিতিশীল ভূমিতে পরিণত হয়েছে।

আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 

পক্ষান্তরে Y অঞ্চলের ভূমির ক্ষেত্রে, সাধারণত ধূসর বর্ণের পৃষ্ঠ মৃত্তিকা এবং ধূসর ম্যাট্রিক্স ও ধূসর গ্লেন (glean) সমৃদ্ধ Cambic B অনুভূমিক স্তর বিশিষ্ট অন্তর্মৃত্তিকা দ্বারা গঠিত।

এই মৃত্তিকা ব্যাপকভাবে তিস্তা, করোতোয়া, যমুনা মেঘনা ও সুরমা-কুশিয়ারা নদীগঠিত প্লাবন সমভূমি জুড়ে বিস্তৃত তবে পৃথক পৃথক মৃত্তিকার বুনট দ্বারা গঠিত মাটিতে বর্ণিত উপাদানসমূহের অনুপাত এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আঞ্চলিক বিভিন্নতা দেখা যায়।

তিস্তা নদীর সর্পিলাকৃতি প্লাবন সমভূমির মৃত্তিকায় পলি, দোঁ -আঁশ বুনটের প্রাধান্য বিদ্যমান, অপরদিকে গাঙে জোয়ার ভাটা প্লাবন সমভূমি ও সুরমা- কুশিয়ারা প্লাবন সমভূমির মৃত্তিকায় পলি কর্দমের প্রাধান্য বিরাজমান।

কিন্তু যমুনা প্লাবন সমভূমি তে রয়েছে দোআশ, পলি কর্দম দোআশ এবং পলি কর্দমের অধিক সমানুপাতিক বন্টন।

এসকল মৃত্তিকার বেশিরভাগই Eutric Gleysol এর অন্তর্ভুক্ত।

আরো পড়ুন:

ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?

বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট / class 9 assignment 6th week

#নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

উদ্দীপকের Z অঞ্চলের বর্ণনা দাও?

উদ্দীপকের Z অঞ্চলের বর্ণনা দাও?

উদ্দীপকে ‘Z’ অঞ্চল অর্থাৎ পলিবাহিত মাটি দ্বারা গঠিত অঞ্চল। নদীর বদ্বীপ অঞ্চল, প্লাবন ভূমিতে পলিমাটি দেখা যায় নবীন পলিমাটি ‘খাদার’ ও অনুর্বর প্রাচীন পলিমাটি ‘ভাঙর’ নামে পরিচিত।

দেশের প্রায় ৮০ ভাগ অঞ্চল পলিমাটি দ্বারা গঠিত অঞ্চল। পলি মাটি হালকা এবং আর্দ্রতাযুক্ত উর্বর মৃত্তিকা।

পলি মাটি মাঝারি আকারের কণাসম্পন্ন এবং এই মাটি বেশ শুকনো হয় ও আর্দ্রতা ভালভাবে ধরে রাখতে পারে।

এই মাটির কণাগুলি সহজেই মিশে যেতে পারে এবং বৃষ্টির সাথে ধুয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

নদী বাহিত পলি থেকে এই মাটির সৃষ্টি হয়েছে । পলিমাটি খুব উর্বর হয় ।

আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 

এই মাটিতে পটাশ, ফসফেরিক অ্যাসিড, চুন ইত্যাদি থাকে । পলিমাটি উর্বর হওয়ার জন্য এই মাটিতে প্রায় সব রকমের ফসল চাষ হয় ।

বিশেষত নদীর পলিযুক্ত দোআঁশ মাটি পাট চাষের জন্য অধিক উপযোগী। এই মাটিতে ধান, গম, আখ, মিলেট প্রচুর পরিমাণে চাষ হয়।

আরো পড়ুন:

ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?

বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট / class 9 assignment 6th week

#নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় দেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।

বাংলাদেশের জলবায়ু সাধারণত সমভাবাপন্ন।

বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণাংশে অবস্থিত হলেও মহাদেশীয়-অক্ষাংশীয় অবস্থানের দিক থেকে এটি উত্তর অক্ষে অবস্থিত।

আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 

অক্ষাংশীয় মানানুসারে এদেশের অবস্থান ২০ডি. ৩৪মি. উত্তর অক্ষরেখা হতে ২৬ডি. ৩৮মি. উত্তর অক্ষরেখার এবং দ্রাঘিমাংশীয় মানানুসারে ৮৮ডি. ০১মি. পূর্ব দ্রঘিমারেখা হতে ৯২ডি. ৪১মি. পূর্ব দ্রঘিমারেখার মধ্যবর্তী স্থানে।

কর্কটক্রান্তি রেখা এদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে তাই বাংলাদেশে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বিরাজ করে।

আরো পড়ুন:

ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?

বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট / class 9 assignment 6th week

#নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?

নবম শ্রেণীর ভূগোল বই এর দশম অধ্যায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ থেকে “ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?” প্রশ্নটি করা হয়েছে। এটি নবম শ্রেণীর ভূগোলের তৃতীয় নির্ধারিত অ্যাসাইনমেন্ট বা কাজ।

১| সৃজনশীল প্রশ্ন:

অঞ্চল মাটির বৈশিষ্ট্য
X শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত
Y ধূসর ও লাল বর্ণের মাটি
Z পলিবাহিত মাটি
আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 

(ক) ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তর: ক্রান্তীয় অঞ্চলে যেই ঋতু গুলো বিরাজমান করে অথবা প্রবাহিত হয়, সেই ঋতু’কেই ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।

আরো পড়ুন:

ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু কাকে বলে?

বাংলাদেশে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজের কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট / class 9 assignment 6th week

#নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

Categories
অ্যাসাইনমেন্ট নবম শ্রেণী শিক্ষা

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট

শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট | class 9 assignment 6th week math

আজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বন্ধুদের জন্য ৬ষ্ঠ এ্যাসাইনমেন্ট এর গণিত সমাধান সহায়িকা নিয়ে হাজির হলাম। তোমাদের আজ ৯ম শ্রেণির ৬ষ্ঠ এ্যাসাইনমেন্ট এর গণিত বিষয়ের সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো। শুধু আমাদের সাথে থাকো এবং নবম ৬ষ্ঠ এ্যাসাইনমেন্ট গণিত সমাধান সহায়িকা দেখে নাও:

প্রশ্ন: ০১

১. নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ আঁকার জন্য কয়টি স্বতন্ত্র উপাত্ত প্রয়ােজন?

উত্তর: নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ আঁকার জন্য ৫ টি স্বতন্ত্র উপাত্ত প্রয়োজন-

  • ৪ টি বাহু ও ১ টি কোণ,
  • ৪ টি বাহু ও ১ টি কর্ণ,
  • ৩ টি বাহু ও ২ টি কর্ণ,
  • ৩ টি বাহু ও তাদের অন্তর্ভুক্ত ২ টি কোণ,
  • ২ টি বাহু ও ৩ টি কোণ।

২. ABC বৃত্তে BC ব্যাস হলে, ∠BAC এর মান কত?

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট

 

উত্তর: ABC বৃত্তে BC ব্যাস হলে,

∠BAC=90°=1 সমকোণ।

কারণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণের মান ১ সমকোণ।

৩. সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয় সমান হলে, ত্রিভুজটির বাহুগুলাের অনুপাত কত হবে?

উত্তর: সমকোণী ত্রিভূজের সূক্ষ্মকোণদ্বয় সমান হলে, ত্রিভূজের বাহুগুলোর অনুপাত হবে;

৪. PQRS সামান্তরিকের ∠Q = 95° হলে, ∠S – ∠R = কত?

উত্তর: যেহেতু, চতুর্ভুজের চারকোণের সমষ্টি 360°

class 9 assignment 6th week math

∴ সামান্তরিকের চারকোণের সমষ্টি 360°

সুতরাং, এর বিপরীত কোণগুলোও সমান হবে।

∴ ∠Q = ∠S এবং ∠P = ∠R

∴ ∠Q = 95°= ∠S

#∴ ∠R+∠P=360°-(95°+95°)

= 360°-190° =170°

নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট

 

 

৫. বৃত্তের ব্যাস 14 সে.মি. হলে, ঐ বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গের ক্ষেত্রফল কত?

উত্তর: বৃত্তের ব্যাস = 14 সে.মি.

সৃজনশীল প্রশ্ন: ০১

ΔABC এর শীর্ষবিন্দু A এবং ভূমি সংলগ্ন ∠B = 45°, ∠C = 60°; ত্রিভুজটির পরিসীমা 10 সে.মি.

ক. ∠A এর পূরক কোণের মান কত?

উত্তর: দেওয়া আছে, ∠B=45°; ∠C=60°

∴ ∠A=180°-(∠B+∠C)

= 180°-(45°+60°)

= 180°-105°

#= 75°

∴ ∠A এর পূরক কোণ = 90°-75°
= 15° Ans

খ. অঙ্কনের বিবরণসহ ত্রিভুজটি আঁক।

উত্তর: দেওয়া আছে, ∠B=45°; ∠C=60°

ত্রিভুজের পরিসীমা, S=10 cm

বিশেষ নির্বচন : মনে করি, একটি ত্রিভুজের পরিসীমা, S=10 cm এবং ভূমি সংলগ্ন ∠B=45°; ∠C=60° দেওয়া আছে।

অঙ্কনের বিবরণ:

১। যে কোনো একটি রশ্নি DF থেকে পরিসীমা S-এর সমান করে DE অংশ কেটে নিই;

২। D ও E বিন্দুতে DE রেখাংশের একই পাশে 1/2∠x -এর সমান ∠EDG এবং 1/2∠y-এর সমান ∠DEH আঁকি।
মনে করি, DG ও EH রশ্নিদ্বয় পরস্পরকে A বিন্দুতে ছেদ করে;

৩। A বিন্দুতে ∠ADE এবং ∠AED এর সমান করে যথাক্রমে ∠DAB এবং ∠EAC আঁকি। AB এবং AC রাশিদ্বয় DE রেখাংশকে যথাক্রমে B ও C বিন্দুতে ছেদ করে;

তাহলে, ∆ABC-ই উদ্দিষ্ট ত্রিভুজ;

গ. এমন একটি ত্রিভুজ অঙ্কন কর যার ভূমি সংলগ্ন দুইটি কোণ উদ্দীপকে উল্লিখিত কোণ দুইটির সমান এবং শীর্ষ থেকে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য ΔABC এর পরিসীমার একতৃতীয়াংশ। [অঙ্কনের চিহ্ন ও বিবরণ আবশ্যক]

উত্তর:

বিশেষ নির্বচন: মনে করি, একটি ত্রিভুজের ভূমি সংলগ্ন দুইটি কোণ যথাক্রমে ∠x=45°; ∠y=60° এবং শীর্ষ থেকে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য ∆ABC এর পরিসীমার এক তৃতীয়াংশ। ত্রিভূজটি আঁকতে হবে।

অঙ্কনের বিবরণ:

১। যে কোনো একটি রেখাংশ AD=d নিই। AD রেখাংশের A ও D বিন্দুতে যথাক্রমে PAQ এবং MDN লম্ব আঁকি।

২। PQ রেখাংশের A বিন্দুতে ∠x=∠PAB এবং ∠y=∠QAC আঁকি।

৩। মনে করি, AB ও AC রেখাংশ MN রেখাকে যথাক্রমে B ও C বিন্দুতে ছেদ করে।

তাহলে, ∆ABC-ই উদ্দিষ্ট ত্রিভুজ

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: ০২

৩. logx125 = 6 হলে, x এর মান কত?

উত্তর:

 

 

 

৪. 0.000003476 কে বৈজ্ঞানিক আকারে প্রকাশ কর।

উত্তর: 0.000003476 কে বৈজ্ঞানিক আকারে প্রকাশ করলে-

 

 

৫. 32.0035 এর সাধারণ লগের অংশক কত?

উত্তর: 32.0035 এর সাধারণ লগের অংশক-

ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে, log (32.0035) = 1.505197

∴ অংশক = 0.505197 Ans

সৃজনশীল প্রশ্ন: ০২

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-০৩

প্রশ্ন-১ এর সমাধান:

এই ছিল তোমাদের জন্য নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট এর গণিত বিষয়ের সমাধান।

#নবম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট:

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের পদার্থ বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

নবম শ্রেণি (Class 9) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

আরো পড়ুন: নবম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট 
Categories
অষ্টম শ্রেণী অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষা

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে তুলে ধরেছেন সেগুলো সাজিয়ে লিখ

প্রিয় অষ্টম শ্রেণির বন্ধুরা, তোমাদের জন্য আজ ৮ম শ্রেণির ৬ষ্ঠ এ্যাসাইনমেন্ট এর বাংলা বিষয়ের নির্ধারিত কাজ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম থেকে বাড়ীর কাজ নমুনা প্রশ্ন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলাে সাজিয়ে লিখ উত্তর করা নিয়ে আলোচনা করবো; এই আলোচনা শেষে তোমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলাে সাজিয়ে লিখতে পারবে;

প্রশ্ন:সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলাে সাজিয়ে লিখ?

উত্তর লেখার সময় আমরা অবশ্যই প্রদত্ত মূল্যায়ন নির্দেশকগুলো অনুসরণ করবো; স্বাধীনতার পক্ষে যুক্তিগুলাে সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে, বাক্যগঠন ও বানান শুদ্ধ হতে হবে

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যে সব যুক্তি তুলে ধরেছেন তা হল-

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি ও বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের পুরোধা; তিনি আমাদের বাঙ্গালী জাতির পিতা;

রেসকোর্স ময়দানে ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু তার জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণ দিয়েছিলেন। এই ভাষণ ৭ ই মার্চের ভাষণ হিসেবে বিখ্যাত।

১৮ মিনিটের ওই ভাষণে তিনি বাঙালির মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের আহ্বান জানান।

লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দুধের কামান-বন্দুক মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্ঠে ঘোষণা করেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন সেগুলো লেখা হলো-

সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা-

যেকোনো মানুষের কাছে বিস্ময়কর মনে হবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার ২৩ বছরের মধ্যে কোন সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে।

সেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশের জাতীয় পরিষদে ১৬৯ টি আসনের ১৬৭ টি লাভ করে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে ছিল ৩০০ আসন বিশিষ্ট পশ্চিম পাকিস্তানের ৮৩ আসন পেয়ে জুলফিকার আলী ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে।

ওই নির্বাচন  ছিল বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার প্রতি জনগণের রায়।

৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমেই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আলোচনা করেন। দেশের শাসন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

নিজ ভূমিকা ও অবস্থান ব্যাখ্যা –

স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক আন্দোলনে তরুণ বাঙালি সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে ১৯৪৮ সালের ৪ ঠা জানুয়ারি শেখ মুজিব গঠন করলেন ছাত্রলীগ নামের এক অপরাজেয় ছাত্র সংগঠন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন জন্ম নেয় আওয়ামী লীগ। কারাগারে বন্দি ২৯ বছরের শেখ মুজিবকে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়।

আরো পড়ুন: অষ্টম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট

এরপর যত সময় গেছে, শেখ মুজিব হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগের প্রাণ। ভাষা আন্দোলনের সুকঠিন সময় কারাগারে বন্দী শেখ মুজিবই ছিলেন নেতাকর্মীদের প্রাণপুরুষ।

১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের শিল্প-বাণিজ্য শ্রমনীতি দমন ও ভিলেজ-এইড দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করলেও বাঙালি জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালে মন্ত্রীর দায়িত্ব ছেড়ে দেন শেখ মুজিব।

এছাড়াও অন্যান্য যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো-

পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিকদের ভূমিকার উপর আলোকপাত, সামরিক আইন প্রত্যাহারের আহ্বান, অত্যাচার ও সামরিক আগ্রাসন মোকাবেলার হুমকি, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ব-পাকিস্তানে সার্বিক হরতাল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা এবং নিগ্রহ ও আক্রমণ প্রতিরোধের আহ্বান।

সামরিক আইন মার্শাল-ল’ উইথড্র  করার কথা বলেছিলেন। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নেয়ার জন্য জোর দাবি করেছিলেন।

তিনি তার বক্তৃতায় যুক্তি দিয়েছিলেন- মনে রাখবেন শত্রুবাহিনী ঢুকেছে নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে।

এই বাংলায়- হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-অবাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই, তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়।

অনুপ্রেরণা যোগাতে তিনি বলেছিলেন- সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি,  তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ “এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” আজও আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে বাধ্য করে।

অষ্টম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট:

অষ্টম শ্রেণি (Class 8) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

#অষ্টম শ্রেণি (Class 8) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের কৃষি শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

মিনারা বেগম পুকুরে কি পরিমাণ ইউরিয়া সার প্রয়ােগ করেছিলেন? নির্ণয় কর।

মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন কর?

পলিব্যাগে চারা তৈরী সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

অষ্টম শ্রেণি (Class 8) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গার্হস্থ্য বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

উদ্দীপকে কোন রোগের সচেতনতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ব্যাখা কর।

উদ্দীপকের রােগটিকে কীভাবে প্রতিরােধ করা যায়- বর্তমান পরিস্থিতির আলােকে মূল্যায়ন কর?

রােগের নাম ও প্রতিরােধক টিকার চার্ট তৈরি কর?

যৌন হয়রানি বা যৌন নিপীড়নের শিকার হলে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন?

উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুন্নার সমস্যা উত্তরণের উপায় বিশ্লেষণ কর?

Categories
অষ্টম শ্রেণী অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষা

মুন্নার সমস্যা উত্তরণের উপায় বিশ্লেষণ কর?

মুন্নার সমস্যা উত্তরণের উপায় বিশ্লেষণ কর?

উত্তর: পাঠ ৫-ওজনাধিক্য শিশুর খাদ্য পরিকলনা

একবিংশ শতাব্দিতে শিশুদের ওজনাধিক্য একটা মারাত্মক জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। এই সমস্যাটি বর্তমানে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলােতেও দেখা যাচ্ছে। আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বাড়ছে।

ওজনাধিক্য কাকে বলে?

এক কথায় ওজনাধিক্য হচ্ছে শরীরের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়া। অর্থাৎ বলা যায় যে, কারও শরীরের ওজন যখন স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়, তখন সেই অবস্থাকে ওজনাধিক্য বলে।

প্রত্যেক বয়সের জন্য স্বাভাবিক ওজনের নিম্ন সীমা ও উচ্চ সীমা আছে। দেহের ওজন যখন সেই বয়সের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করে যায় তখনই ওজনাধিক্য দেখা দেয়।

ওজনাধিক্যের কারণ:

দেহের ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলাে প্রয়ােজনের চেয়ে বেশি খাওয়া। আমরা প্রতিদিন যদি ক্যালরি বহূল খাদ্য দেহের প্রয়ােজনের চেয়ে |

বেশি গ্রহণ করি এবং পরিশ্রম কম করি ও অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করি তা হলে এই অতিরিক্ত ক্যালরি আমাদের দেহে ফ্যাট আকারে জমা হবে এবং ধীরে ধীরে দেহের ওজন বৃদ্ধি পাবে। এই ভাবে দেহের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ওজনাধিক্য দেখা দিবে।

শুধু খাদ্য গ্রহণ করলেই সুস্থ থাকা যাবে না। সুস্থ থাকতে হলে সুষম খাদ্য গ্রহণ যেমন প্রয়ােজন তেমনি প্রয়ােজন নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, খেলাধুলা ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন।

ওজনাধিক্যের কুফল:

শরীরের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের অসংক্রামক রােগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরােগ, স্ট্রোক, পিত্তথলির পাথর, রক্তে চর্বির আধিক্য ইত্যাদি।

এই কারণে শরীরের ওজন কোনােভাবেই বাড়তে দেওয়া ঠিক নয়। শিশুকালে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই ভালাে লক্ষণ নয় কারণ এর ফলে অল্প বয়সেই বিভিন্ন ব্রনের অসংক্রামক রােগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়।

ওজনাধিক্য শিশুর খাদ্য ব্যবস্থা:

শরীরের ওজন বেশি হলে অবশ্যই খাদ্য সংক্রান্ত নিম্নলিখিত নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।

শস্য ও শস্য জাতীয় খাদ্য যেমন- ভাত, রুটি, চিড়া, মুড়ি ইত্যাদি নির্ধারিত পরিমাণে খেতে হবে। এই খাবারগুলাে বেশি খেলে ওজন বেড়ে যাবে।

মনে রাখতে হবে ভাত রুটির পরিবর্তে সমপরিমাণ পােলাও, খিচুরি, পরটা ইত্যাদি খাওয়া যাবে না। কারণ এই খাবারগুলােতে তেল বা ঘি থাকায় ভাত ও রুটির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ ক্যালরি পান্না যায়।

তাই পোলাও, খিচুরি, পরটা ইত্যাদি খেতে হলে ভাত ও রুটির অর্ধেক পরিমাণে গ্রহণ করাই বাঞ্চনীয়।

প্রতিবেলার খাদ্য ছালিকাতে যথেষ্ট পরিমাণ শাকসবজি, মৌসুমী ফল ও টক ফল থাকতে হবে। এই খাবারগুলাে বেশি খাওয়া যাবে।

প্রতিদিন প্রয়ােজনীয় প্রােটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য ডাল, বাদাম, মাছ, মাংস ও ডিম পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যাবে।

শিশুদের খাদ্য তালিকায় দুধ থাকা প্রয়োজন। তাই চিনি বা পুড় ছাড়া দুধ গ্রহণের অভ্যাস করতে হবে এবং দুধের তৈরি বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে।

আরো পড়ুন: অষ্টম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট

নাশতা হিসাবে সব সময় কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য যেমন- শাকসবজি ও ফল বাছাই করতে হবে। যে সকল খাদ্যে ক্যালরি বেশি থাকে সেই খাদ্য গ্রহণে শরীরের ওজন আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।

তাই ক্যালরি বলে খাদ্য যেমন- তেলে ভাজা-ভুনা খাদ্য, ঘি, মাখন, চিনি ও গুড় দিয়ে তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাদ্য, বেকারির তৈরি খাদ্য, কেক, পেস্ট্রি, বিস্কুট, সব ধরনের সফট ড্রিংকস, চকলেট, ক্যাভি, আইসক্রিম, ইত্যাদি বাদ দিতে হবে।

ওজন কমানোর জন্য শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম ও অন্যান্য খাবার রান্নার সময় অবশ্যই কম তেল দিয়ে রান্না করে খেতে হবে। ছেলের ব্যবহার কমাতে হবে।

অর্থাৎ রান্নার সময় খুব কম তেল দিয়ে রান্না করতে হবে। দুবাে তেলে ভাজা সব ধরনের খাবার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

ক্ষুধা লাগলে বিজ্ঞি ভাজা, প্যাকেটজাত ও বেকারির খাবারের পরিবর্তে মৌসুমী ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

সফট ড্রিংকস ও বােতলজাত কেনা জুসের পরিবর্তে ডাবের পানি ও রসালাে ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

এতে করে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে তেমনি বেশি পুষ্টি পাওয়া যাবে এবং শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

মনে রাখতে হবে শরীরের বাড়তি ওজন কমানাের জন্য অবশ্যই নিয়মিত প্রতিদিন ব্যায়াম বা পরিশ্রম করতে হবে।

পরিমিত আহারের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম বা পরিশ্রম, নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন ও পর্যাপ্ত ঘুম এবং সর্বোপরি সার্বিক সচেতনতা শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

আরো পড়ুন:

উদ্দীপকে কোন রোগের সচেতনতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ব্যাখা কর।

উদ্দীপকের রােগটিকে কীভাবে প্রতিরােধ করা যায়- বর্তমান পরিস্থিতির আলােকে মূল্যায়ন কর?

রােগের নাম ও প্রতিরােধক টিকার চার্ট তৈরি কর?

যৌন হয়রানি বা যৌন নিপীড়নের শিকার হলে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন?

উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুন্নার সমস্যা উত্তরণের উপায় বিশ্লেষণ কর?

অষ্টম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট | class 8 assignment 6th week math

অষ্টম শ্রেণি (Class 8) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের কৃষি শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

মিনারা বেগম পুকুরে কি পরিমাণ ইউরিয়া সার প্রয়ােগ করেছিলেন? নির্ণয় কর।

মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন কর?

পলিব্যাগে চারা তৈরী সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

Categories
অষ্টম শ্রেণী অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষা

উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর?

উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদের বিদ্যালয়গামী শিশু বলা হয়। এই বয়সে শারীরিক বর্ধন দ্রুত হয়, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এই বয়সে দ্রুত লম্বা হয়। এই বয়সে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ক্ষেত্রে পুষ্টির চাহিদা বেশি হয়। বর্ধনের গতি বৃদ্ধির কারণে শক্তির চাহিদা বাড়ে।

এছাড়াও প্রােটিন, ভিটামিন ও ধাতব লবণের চাহিদাও বাড়ে। এই বয়সের শিশুরা খেলাধুলা করে তাই তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটে বলে বেশি শক্তির খরচ হয়। বিদ্যালয়গামী শিশুদের পেশি, দাঁত, হাড়, রক্ত ইত্যাদির গঠনের জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বেশি হয়।

বিদ্যালয়গামী (১১-১৫ বছর বয়সের) শিশুদের পুষ্টির গুরুত্ব –

১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদের দ্রুত বর্ধন বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রােটিন জাতীয় খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিদ্যালয়গামী শিশুদের শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা, পড়ালেখা এবং বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য যথেষ্ট শক্তির প্রয়ােজন হয়। এই শক্তি মেটানাের জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্যের প্রয়ােজন হয়।

ভিটামিন ও ধাতব লবণ সমৃদ্ধ খাদ্য রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিদ্যালয়গামী শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি গুরুত্বপূর্ণ।

ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের লৌহ ও ফলিক এসিড বেশি প্রয়ােজন হয় কারণ মেয়েদের মাসিকের জন্য প্রতিমাসে যে রক্তের অপচয় ঘটে তা পরিপূরণের জন্য অর্থাৎ রক্ত গঠনের জন্য প্রয়ােজন হয়।

ত্বক ও চোখের সুস্থতার জন্য ভিটামিন এ, বি ও সি সমৃদ্ধ খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অতএব আমরা দেখতে পাই যে, ১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদের স্বাভাবিক ওজন, উচ্চতা, সুস্থতা, পড়ালেখা, খেলাধুলার ক্ষমতা ও দক্ষতা বজায় রাখার জন্য প্রতিদিন খাদ্যে ছয়টি পুষ্টি উপাদানেরই পর্যাপ্ত উপস্থিতি অত্যাবশ্যক। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রয়ােজনীয় পুষ্টি উপাদান পেতে হলে মৌলিক খাদ্য গােষ্ঠির প্রতিটি গ্রুপ থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য প্রতিদিনই নির্বাচন করতে হবে। এই বয়সী শিশুদের খাদ্য তালিকা তৈরির সময় কয়েকটি বিষয় লক্ষ রাখতে হবে। যেমন

আরো পড়ুন: অষ্টম শ্রেণীর সকল অ্যাসাইনমেন্ট

(ক) ১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদেরকে প্রতিদিন কমপক্ষে তিন বেলা প্রধান খাবার ও দুইবার হালকা নাশতা দিতে হবে। এই বয়সে শিশুরা বেশ দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকে। স্কুলে পড়ালেখার পাশাপাশি তারা খেলাধুলাও করে থাকে, ফলে প্রচুর শক্তির খরচ হয়। তাই স্কুলে থাকাকালীন একবার এবং বাসায় আরও একবার পুষ্টিকর নাশতা দিতে হবে। তাহলে অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন রােগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

(খ) প্রতি বেলার প্রধান খাবারে অর্থাৎ সকাল, দুপুর ও রাতের বেলায় মৌলিক খাদ্য গােষ্ঠির বিভিন্ন শ্রেণির বিভিন্ন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

(গ) প্রতিদিনই উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ উভয় উৎস থেকেই প্রােটিন গ্রহণ করতে হবে। দিনে অন্তত একবার প্রাণিজ প্রােটিন গ্রহণ করতে হবে।

(ঘ) প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ও রঙিন যেমন- হলুদ, সবুজ, লাল, বেগুনি ইত্যাদি বর্ণের টাটকা শাকসবজি ও তাজা টক জাতীয় ফল অবশ্যই থাকতে হবে।

(ঙ) পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল জাতীয় খাদ্য প্রতি বেলায় গ্রহণ করতে হবে।

(চ) মিষ্টি জাতীয় খাবার ও অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার গ্রহণে সচেতন হতে হবে। যারা পরিশ্রমের কাজ কম করে বা একেবারেই করে না বা খেলাধুলা করে না তারা এই খাদ্যগুলাে গ্রহণ থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। তা না হলে শরীরের ওজন বেশি বেড়ে যাবে অর্থাৎ ওজনাধিক্যে আক্রান্ত হবে এবং নানা ধরনের জটিল রােগের সূচনা হবে।

আরো পড়ুন:

উদ্দীপকে কোন রোগের সচেতনতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ব্যাখা কর।

উদ্দীপকের রােগটিকে কীভাবে প্রতিরােধ করা যায়- বর্তমান পরিস্থিতির আলােকে মূল্যায়ন কর?

রােগের নাম ও প্রতিরােধক টিকার চার্ট তৈরি কর?

যৌন হয়রানি বা যৌন নিপীড়নের শিকার হলে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন?

উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুন্নার সমস্যা উত্তরণের উপায় বিশ্লেষণ কর?

অষ্টম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের গণিত অ্যাসাইনমেন্ট | class 8 assignment 6th week math

অষ্টম শ্রেণি (Class 8) ৬ষ্ঠ সপ্তাহের কৃষি শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান/ উত্তর

মিনারা বেগম পুকুরে কি পরিমাণ ইউরিয়া সার প্রয়ােগ করেছিলেন? নির্ণয় কর।

মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন কর?

পলিব্যাগে চারা তৈরী সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।