Categories
গৃহসজ্জা ঘরোয়া উপায় টিপস লাইফ স্টাইল

বাসা থেকে তেলাপোকা তাড়ানোর সঠিক উপায় – Janajoruri

অনেক অযাচিত জীব ঘরের মধ্যে ঝামেলা সৃষ্টি করে এবং তাদের সাথে বহু রোগ নিয়ে আসে।  বিশেষত তেলাপোকা একটি জীব যা বাড়িতে পাওয়া যায়।  আমরা কেবল এটি দেখে খুব মন খারাপ হয়ে যাই।  আজ আমরা আপনাকে এমন তেলাপোকা দূরে সরিয়ে নেওয়ার এমন ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে জানাতে যা যা আপনাকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত জীব থেকে চিরতরে মুক্তি দেবে।

 লবঙ্গ গন্ধ

তেলাপোকা দৃ  গন্ধযুক্ত লবঙ্গ থেকে পালিয়ে যায়।  রান্নাঘরের দরজা এবং স্টোর রুমের তাকগুলিতে কয়েকটি লবঙ্গের কুঁড়ি রাখুন।  এই প্রতিকারটি নিয়ে কাকরোচগুলি পালিয়ে যাবে।



 বোরাক্স

 তেলাপোকা যেখানেই আসে সেখানে বোরাস পাউডার ছিটিয়ে দিন।

এ থেকে পালাবে তেলাপোকা।  তবে ঘরে যদি শিশু থাকে তবে এগুলি থেকে দূরে রাখুন

 কেরোসিন তেল

কেরোসিন তেলের ব্যবহারও তেলাপোকা থেকে বাঁচতে পারে তবে আপনাকে এর গন্ধ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

 তেজপাতার ব্যবহার

তেলাপোকাগুলি তেজপাতার গন্ধ পছন্দ করে না।  অতএব, যেখানে তেলাপোকার সন্ত্রাস রয়েছে সেখানে তেজপাতাগুলি ম্যাশ করুন।  তেলাপোকা সেই জায়গা থেকে পালাবে run  এই পাতাগুলি সময়ে সময়ে পরিবর্তন করুন।



 বেকিং পাউডার এবং চিনি

একটি বাটিতে সমান পরিমাণ বেকিং পাউডার এবং চিনি মিশিয়ে নিন।  উপরের তেলাপোকা যেখানে আসে সেখানে এটি ছিটান।  চিনির মিষ্টি স্বাদটি তেলাপোকাগুলিকে আকর্ষণ করে এবং বেকিং সোডা তাদের হত্যা করার জন্য কাজ করে।

 

আরো পড়ুনঃকাঠে ঘুনপোকা উঁইপোকা বা টারমাইট দূর করার সহজ উপায়

Categories
গৃহসজ্জা ফ্যাশন লাইফ স্টাইল

কাপড়ের দাগ তোলার সহজ ঘরোয়া উপায় – জানা জরুরি

অনেক সময় পোশাকের দাম নির্ভর করে তার কারণের ওপর। ছেলেমেয়েরা স্কুলে গেলে পোশাকে দাগ লাগলে এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। তবে আপনার স্বামী যদি অফিস থেকে কোন দাগ লাগিয়ে আনে তার মোটেই আপনার সংসারের প্রতি সুখকর হবে বলে মনে হয় না। তবে দাগ যেমনই হোক না কেন সেই দাগ তুলতে গেলে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় বাড়ির মহিলাদের। দাগ থেকে মুক্তি পাবার জন্য সাবান কিংবা দিয়ে ঘষতে গিয়ে দাগের সাথে সাথে পোশাকের রং উঠে যায়। গোটা পোশাকটাই তখন আর পড়ার যোগ্য থাকেনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই কাণ্ড হয় অথবা কফি খাবার সময়।

কিন্তু এবার চা অথবা কফি আপনার পোশাকের পড়লেও পোশাক খারাপ হবার আর ভয় নেই। কারণ আপনার জন্য থাকবে কিছু ঘরোয়া উপায়ে যার ফলে আপনি খুব সহজেই পোশাক থেকে চা অথবা কফি খুলে ফেলতে পারবেন। জেনে নিন এই সব জিনিস গুলির সঠিক ব্যবহার গুলো, যা দিয়ে আপনি খুব সহজেই তুলে ফেলতে পারবেন জামা থেকে চা বা কফির দাগ।

 টুথপেস্ট: 

প্রত্যেক দিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় এই জিনিসটি ব্যবহার করলে খুব সহজেই আপনি আপনার জামা থেকে তুলে ফেলতে পারবেন যেকোন দাগ। আপনার জামার দাগের জায়গায় মিনিট টুথপেস্ট পিস লাগিয়ে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। নিমেষেই উঠে যাবে আপনার জামার যেকোনো দাগ।

 ডিম:

এটি ডিম নিয়ে সেটিকে সেদ্ধ করে তার সাদা অংশটি আপনার জামার লেগে থাকা দাগের জায়গায় আলতো করে ঘষে নিন। তাহলেই আপনার জামা থেকে সমস্ত দাগ চলে যাবে।

বেকিং সোডা: 

পোশাকে চা অথবা কফির দাগ লেগে গেলে এক চামচ বেকিং সোডা সেখানে ঘষে নিতে পারেন। বেকিং সোডা কিন্তু যে কোনো দাগের জন্য যম। আপনার পোশাক হয়ে যাবে একেবারে আগের মতো পরিষ্কার।

ভিনিগার:

আপনার জামায় কোথাও দাগ লেগে গেলে সেখানে এক চামচ ভিনেগার দিয়ে দিন। একটি বোতলে ভিনিগার রেখে সেখান থেকেও হালকা হালকা স্প্রে করতে পারেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখবেন আপনার জামা সমস্ত দাগ গায়েব হয়ে গেছে। আপনি নিজের পছন্দের পোশাকটি অক্ষত অবস্থায় ফেরত পেয়ে যাবেন।

Categories
অন্যান্য গৃহসজ্জা লাইফ স্টাইল

কাঠে ঘুনপোকা উঁইপোকা বা টারমাইট দূর করার সহজ উপায়

সবারই জানা- ঘুন পোকা, উঁইপোকা বা টারমাইট এরা কাঠ ধ্বংসকারী পোকা।

ভবনের কাঠের কাজ, আসবাবপত্রে ধ্বংসকারী সাদা পিঁপড়াকে উঁই পোকা বা টারমাইন বলে। এই সকল কাঠ ধ্বংস কারী পোকা ড্রাই উড টারমাইট শ্রেণীর অন্তর্গত।

দুই ভাবে এসব কাঠ ধ্বংসকারী পোকা প্রতিরোধ করা যায়। যেমন- নির্মাণকাজের পূর্বের ব্যবস্থা ও নির্মাণকাজের পরের ব্যবস্থা।

নির্মাণ কাজের পূর্বের ব্যবস্থা কাঠ ধবংসকারী পোকা প্রতিরোধক হিসাবে বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক পাউডার বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। সাধারণত চার লিটার পানিতে নিম্নের যে কোনো একটি রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত করে দ্রবণ তৈরি করে কাঠে ব্যবহার করা হয়। কাঠে কিটনাশক ব্যবহারের পর কাঠ শুকিয়ে নিয়ে নির্দিষ্ট কাজে ব্যবহার করা হয়।ক্যামিকেল ও পরিমাণ- DDT (৫%), BHC (০.৫%), Aldrin (০.২৫%), Heptachlor (০.২৫%), Chlordane (০.৫%)।

আরো পড়ুনঃ টবে ধনিয়া চাষ পদ্ধতি

নির্মাণ কাজের পরের ব্যবস্থা কাঠের যে স্থানে উঁইপোকা বা টারমাইট আক্রান্ত সে স্থানে কেরোসিন যুক্ত রাসায়নিক ইমালশন (বাজারে কিনতে পাওয়া যায়) এর প্রলেপ দিতে হবে। আর এতে করে টারমাইন বা উঁইপোকার আক্রমণ থেকে কাঠকে রক্ষা সম্ভব। কাঠে কেরোসিন তেলব্যবহার করলে দীর্ঘ দিন ঘুন থেকে মুক্ত থাকা যায়।

তাছাড়া রং অথবা আলকাতরা ব্যবহার করলে পোকা ও ঘুন আক্রমণ করতে পারে না।

আসবাব জাতীয় কাঠে পোকা যেন না লাগে তার জন্য তরল পদার্থ- তারফিন, বিষ, কেরোসিন কাঠের গায়ে লাগানো যেতে পারে। অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত কাঠে আলকাতরা বা গাড় রঙ লাগালে অনেক দিন পর্যন্ত পোকা থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব।

আরো পড়ুনঃ চুল পড়া রোধ করে যে খাবার গুলি

কাঠের ভেতরে যদি একবার পোকা ঢুকে যায় তবে সে পোকা তাড়ানো বা মেরে ফেলা খুবই কঠিন। বিশেষ করে এক ধরণের কাঠ পোকা দেখতে সাদা, আর লম্বা ১ ইঞ্চি ।এই পোকাগুলো কাঠের ভেতরেই বাসা বাধে। এরা যখন কাঠ কাটে তখন শব্দ শোনা যায়। এই পোকা তাড়ানো সম্ভব না। এদেরকে মেরে ফেলতে হয়।তাই ইনজেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে বিষ প্রায়োগ করতে হবে যে ছিদ্র দিয়ে পোকা ঢুকে।

নিমপাতা প্রকৃতির এক আশ্চর্য দান। এই পাতায় আছে পোকামাকড় দূর করার অনন্য ক্ষমতা। ঘরের কোণায়, আলমারিতে, তোশকের নিচে শুকনো নিমপাতা দিয়ে রাখুন। ঘরে কোনো পোকামাকড়ই আসবে না।