Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

শীতের সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন

শীতে সব রকমারী সবজির সমাহার। এই সবজির স্বাদ যেমন বেশি তেমনি এর রয়েছে নানা স্বাস্থ্যগুণও। শীতের সবজি খেলে নানা জটিল রোগ থেকে ভাল থাকা যায়। আবার এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়, যার ফলে রোগব্যাধি কাছে ঘেঁষতেও পারে না। এমনই বলছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়েট এন্ড নিউট্রিশন কনসালটেন্ট পুষ্টিবিদ তাসনিম আশিক।

শীতের সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন:

বাঁধাকপি:
বাঁধাকপি ভিটামিন কে এবং ভিটামিন সি-এর খুব ভালো একটি উত্‍স। সেই সঙ্গে এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। এই ফাইবার ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে পরিমিত তেল ব্যবহার করে তা রান্না করে খেতে হবে। ভিটামিন সি থাকায় তা এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক সুন্দর রাখে। তবে যাদের ইউরিক এসিড এবং ক্রিয়েট্নিনের মাত্রা বেশি তাদের জন্য এই সবজি খেতে কিছুদিন নিষেধ করা হয়, তবে ইউরিক এসিড ও ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক হয়ে গেলে অবশ্যই খেতে পারবেন।

ফুলকপি:
শীতের সবজির মূল আকর্ষণ কিন্তু ফুলকপি। এই আকর্ষণীয় সবজিটিতে আছে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনিসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম। যা আমাদের শরীরের মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের চাহিদা পূরণ করে থাকে। সেই সঙ্গে ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন, যা গর্ভকালীন সময়ে খেলে গর্ভস্থ শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ভালো হয়। এছাড়াও এতে রয়েছে এন্টি-ইনফ্লেমেটরি নিউট্রিয়েন্ট যা শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে থাকে। তবে এই সবজিটি যাদের ইউরিক এসিড এবং ক্রিয়েটিনিন বেশি তারা এসব স্বাভাবিক মাত্রায় না আসা পর্যন্ত এড়িয়ে চলবেন।

গাজর:
প্রথমত গাজরের বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। গাজর এমন একটি সবজি যা ত্বককে অনেক বেশি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও রক্ত পরিস্কার রাখে গাজর।

টমেটো:
টমেটো কিন্তু শীতের সবজি, তবে সারাবছরই পাওয়া যায়। তবে শীতের টমেটোর স্বাদই আলাদা। এই টমেটোতে রয়েছে থায়ামিন ও রাইবোফ্লাভিন। যা স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি ও পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে থাকে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে থাকে। অস্ট্রিওম্যালেয়শিয়া, অস্ট্রিওপোরোসিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে টমেটো।

ব্রকলি:
সবুজ রঙের ফুলকপির মতো দেখতে এই সবজিটির নাম ব্রকলি। এর রয়েছে শক্তিশালী কিছু এন্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। ব্রকলিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের সুস্থতা প্রদান করে থাকে। মানুষিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে থাকে এই সবজি এবং এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা কোলেস্টেরল কমিয়ে থাকে।

শালগম:
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে শালগম। রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়ার সমস্যা দূর করতে দারুন কার্যকর এই সবজি। শুধু তাই নয়, আরথ্রাইটিসের সমস্যাও দূর করে থাকে শালগম।

পেঁয়াজকলি:
খুবই সুস্বাদু একটি পাতা এটি যা তরকারি, সবজি বা ভাজি এবং সালাদের স্বাদ বাড়তে সাহায্য করে। এটি শরীরের ব্যাথা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। কোন ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে, হজমশক্তি ভালো রাখে এবং হার্ট সুস্থ্য রাখতেও সাহায্য করে পেঁয়াজকলি।

শীতের সবজির উপকারিতা | পুষ্টিবিদএর মতে, এসব সবজি যদি অনেক বেশি তেলে অর্থাত্‍ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেলে অনেকক্ষণ কষিয়ে রান্না করা হয় তবে তা ওজন আরও বৃদ্ধি করে থাকে। এজন্য কম তেল ব্যবহার করে সতেজ সবজিগুলো সব মসলা মাখিয়ে জল দিয়ে ঢেকে রান্না করা যায়, কিংবা ভাব দিয়ে বাগারের মাধ্যমে রান্না করা গেলে তা হবে বেশি স্বাস্থ্যসম্মত।

Photo by FitNish Media on Unsplash

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

করলার তেতো চা: ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে পান করুন করলা চা

করলা আমাদের প্রিয় খাদ্য না হতে পারে, কিন্তু এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা সকলেই জানি। বিভিন্ন স্মুদি ও সবজির জুসের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধির জন্য করলা মেশানো হয়ে থাকে। এটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, লিভার পরিষ্কার করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে এই করলা। করলার উপকারিতা লাভের আরও একটি উপায় হল করলার তেতো চা পান করা।

জেনে নিন করলার তেতো চায়ের পুষ্টিগুণ:

শুকনো করলার টুকরাকে জলে ভিজিয়ে রেখে এই তেতো চা তৈরি হয় এবং ওষুধ হিসেবে বিক্রি হয়। এটি গুঁড়ো বা নির্যাস হিসেবেও বাজারে পাওয়া যায়। এই চা করলার পাতা, ফল এবং বীজ দিয়েও তৈরি করা যায়।

নীচে এর কিছু উপকারিতা দেওয়া হল।

  1. রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ:
    প্রাচীনকাল থেকেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার ব্যবহার হয়ে আসছে। করলার চাও এতে উপযোগী।
  2. রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে:
    এই চা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
  3. লিভার পরিষ্কার রাখে:
    লিভার ডিটক্স করতে সাহায্য করে ফলে বদহজম রোধ করে।
  4. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে:
    এই চায়ে উপস্থিত ভিটামিন সি কোনো ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  5. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে:
    করলা চায়ে উপস্থিত ভিটামিন এ চোখ ভালো রাখে।

করলার তেতো চা তৈরির পদ্ধতি:

সহজেই বানান করলার তেতো চা। কিছু পরিমাণ শুকনো বা তাজা করলার টুকরো, জল এবং মিষ্টির জন্য স্বাদ মতো মধু নিন। করলা গাছের পাতাও ব্যবহার করা যায়, তবে করলা সহজলভ্য তাই করলা ব্যবহার করুন। জল ফুটিয়ে নিন, তার মধ্যে শুকনো করলার টুকরো দিয়ে 10 মিনিট মাঝারি আঁচে ফোটান যাতে করলার সমস্ত পুষ্টিদ্রব্য জলে মিশে যায়। আঁচ থেকে নামিয়ে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। এরপর কাপে চা ছেঁকে নিন এবং মিষ্টির জন্য মধু মেশান। আপনার করলার চা তৈরি। তবে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে এই চা খেলে মিষ্টি ব্যবহার করবেন না।

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

শিমের বিচির উপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম, আজকে আমরা জানবো শিমের বিচির উপকারিতা নিয়ে।

অনেকেরই পছন্দের সবজির তালিকায় আছে শিমের নাম। এটি খুবই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। শিম, শিমের বিচি এবং শিমের পাতাও শাক হিসেবে খাওয়া যায়।

শিমের বিচির পুষ্টিগুণ:

শিমের বিচিতে রয়েছে উচ্চমানের ফাইবার প্রোটিন, যা শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। এতে কোনো কোলেস্টেরল নেই। এনার্জি বা শক্তির জন্য শিমে রয়েছে শতকরা ২০ ভাগ প্রোটিন ও উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেট।

আসুন জেনে নেই, শিমের বিচির উপকারিতা:

আমিষের ঘাটতি পূরণ:

আমিষের ঘাটতি হলে শিম ও শিমের বিচি খেলে তা পূরণ হয়। শীমের বিচি স্নেহ জাতীয় পদার্থ।

বমি ভাব:

শিমের বীজ খেলে অগ্নিমান্দ্য বমি ভাব কেটে যায়।

জ্বর নিরাময়ে:

শিমের বীজ বালিতে ভেজে , খোসা ছাড়িয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে এক কাপ গরম পানিতে ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে দিনে  ৩-৪ বার করে কয়েক দিন খেলে জ্বরের ঝিমুনি ও অরুচি ভাবে কেটে যায়।

আরো পড়ুন:শালগমের উপকারিতা

ক্যান্সার প্রতিরোধ :

সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয় যে শিমের বিচি কোলন ক্যান্সারে সহায়ক কোলন অ্যাডেনোমার বিপরীতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য :

শিমের বিচিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উভয় উপাদানই রয়েছে যা হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে।

স্বাস্থ্য উপযোগিতা :

কালো শিমের বিচি মানবদেহে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্লাইকোজেন সরবরাহ করে। দেহে কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিনের মাত্রা ঠিক রাখে। এছাড়া হজমে সহায়তা করে।

আরো পড়ুন: শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা

চর্বি নিয়ন্ত্রণ :

কালো শিমের বিচিতে মোটামুটিভাবে ২-৩ শতাংশ চর্বি রয়েছে তবে কোলেস্টরেল একেবারেই নেই। এটি শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এবং স্বাস্থ্যোপযোগি ফ্যাট প্রদান করে থাকে।

স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য :

শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি৬ বা ফোলেট আছে। স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য এই উপাদানটির উপরে নির্ভরশীল যেটি শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করে কাজ সম্পাদন করে। গর্ভবতী মহিলঅদের জন্য এই খাবারটি অত্যন্ত উপকারী।

আরো পড়ুন: ওলের উপকারিতা

Photo by Youtube

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

শালগমের উপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম, আজকে আমরা জানবো শালগমের উপকারিতা নিয়ে।

শালগম একটি শীতকালীন সবজি। এটি তরকারি হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়। শালগমে রয়েছে ভিটামিন সি, ই আর কে। এছাড়াও শালগমে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। তাই নিয়মিত শালগম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

শালগমের উপকারিতা:

হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখে:

শালগমে আছে ক্যালসিয়াম। যা হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিটা শালগমে দৈনিক চাহিদার ১৫ শতাংশ ক্যালসিয়াম থাকে। যা দাঁতের ক্ষয়, অস্টিওপোরোসিস ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে।

হজমে সহায়তা:

শালগমে ৫০ শতাংশই আঁশ। তাই প্রতিদিন খাবারে শালগম যোগ করা হলে তা হজমে সহায়তা করে ও বিপাক বাড়ায়। এছাড়াও, এতে  কার্বোহাইড্রেইটের জটিল যৌগ থাকায় তা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূতি দেয়।

আরো পড়ুন: ওলের উপকারিতা 

চোখের স্বাস্থ্য:

শালগম ভিটামিন এ এবং লুটেইন সমৃদ্ধ। যা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। এটা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। ছানি, গ্লুকোমা, ম্যাকুলার অবক্ষয় ইত্যাদি থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস:

শালগম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। এটি কফ, ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমা নিরাময়ে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন-সি দেহের কোষ ক্ষয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

আরো পড়ুন: শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা:

শালগম দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এর লিউটিন নামক উপাদান হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। শালগমে প্রচুর আঁশ থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।

Image by Hans Braxmeier from Pixabay 
Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

ওলের উপকারিতা

ওল একধরনের ভেষজ সবজি।এইটি খুবই উপকারি। অনেকে ওলের উপকার সম্পর্কে জানেনা।আমাদের অবশ্যই উচিত এর উপকার সম্পর্কে জানা।এইটি অশ্বরোগের জন্য অনেক উপকারী। আজকে আমরা জানবো, ওল কচুর উপকারিতা সম্পর্কে। এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।

চলুন তাহলে জেনে নিই,ওলের উপকারিতা

ওলের পুষ্ঠিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম ওলে খাওয়ার অংশে রয়েছে:

  • কার্বোহাইড্রেট-১৮.৫ গ্রাম
  • ফ্যাট-০.২ গ্রাম
  • প্রোটিন-১.৩ গ্রাম
  • থায়ামিন-০.০৬ মিগ্রা
  • লোহা- ০.৬ মিগ্রা
  • আঁশ-০.৮ গ্রাম
  • নিকোটিনিক অ্যাসিড-০.৭ মিগ্রা
  • ক্যালসিয়াম-৫০ মিগ্রা
  • ফসফরাস-৩৪ মিগ্রা
  • পটাশিয়াম-১৯৩ মিগ্রা
  • ভিটামিন ‘এ’-৪৩৪ মিগ্রা

ওলের উপকারিতা:

ফোঁড়া কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেঃ

ওলে আছে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম ফসফরাস, আয়রণ এবং ভিটামিন এ । মিষ্টি ওলের স্বাদ তীব্র, শরীর গরম করে এবং যে কোন ফোড়া হলে তা ফাটিয়ে দেয় ।

আরো পড়ুন: শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা

কফ নাশক হিসেবেঃ

ওল বায়ু ও কফ নাশ করে থাকে ।

তরকারি হিসেবেঃ

ওলের ডাটা ও ওলের কটি শাক দিয়ে সুস্বাদু তরকারি রান্না করা হয় , যা শরীরের পক্ষে খুব উপকারি ।

দাঁতের ব্যথার সারাতেঃ

বুনো ওল তেঁতুল পাতা দিয়ে একটু সিদ্ধ করে জল ফেলে টক দিয়ে রান্না করলে ভাল খেতে লাগে । বুনো ওল পা ফোলা, গোদ অখিদে, দাঁতের ব্যাথার মহৌষধ ।

বিভিন্ন ব্যথা সারাতেঃ

বুনো ওল আয়ুবেদ মতে মল রোধ করে , কষায় হালক তীক্ষ্ণ রুচিকর । কাশি বমি,বায়ু, শূল,ব্যাথা সারায়, কৃমি নাশ করে ।

আরো পড়ুন: কলমি শাকের উপকারিতা

রুচি বাড়াতেঃ

যদি খাবারে অরুচি হয় তাহলে ওল খেলে খাওয়ার রুচি উৎপন্ন হয়ে থাকে ।

অশ্ব রোগ সারাতেঃ

ওল পোড়ানো ঘিয়ে মেখে অল্প পরিমাণ লবণ দিয়ে খেলে অশ্ব রোগে উপকার পাওয়া যায়।

বাতের ব্যথাঃ

ওল পুড়িয়ে থেঁতলে নিয়ে অল্প ঘি অথবা এরেনডার তেল মিশিয়ে সহ্যমতো গরম করে পোটলা বেঁধে ব্যথার জায়গায় সেঁক দিলে যন্ত্রণাটা কমে যায়।

মুখের ক্ষতঃ

ওলকে কুচি কুচি করে কেটে শুকিয়ে নিয়ে মাটির কোনো পাত্রে মুখ বন্ধ করে লেপে সেটা শুকিয়ে নিয়ে পোড়াতে হবে। তারপর সে ওল-পোড়া ছাইকে একটুখানি ঘিয়ের সাথে মিশিয়ে দাঁত মাজলে মুখের ও দাঁতের মাঢ়ির ক্ষত সেরে যাবে।

শোথ:

এ রোগ সাধারণত প্রায় ক্ষেত্রে আমের দোষের জন্য হয়, তবে পায়ের দিকে এ শোথ দেখা যায়। এটা কিন্তু কিডনি বা হার্টের দোষে পায়ে যে শোথ হয় সে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; এ ক্ষেত্রে ঝলসানো ওল ভালো কাজ দেয় (বুনো ওল বেশি উপকারী)।

গেঁটে বাত:

অনেক সময় এ রোগীর অর্শ্ব থাকে; কারো রক্ত পড়ে, কারো রক্ত পড়ে না। এ ক্ষেত্রে ঝলসানো ওল ঘি মেখে খেলে সেরে যাবে।

গ্রহণী রোগ:

এ রোগের প্রধান লক্ষণ হলো, দিনেই বার বার দাস্ত হয়। আর রাতে হয় না বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে ভাতের আমানির (পান্তা ভাতের পানি) সাথে ঝলসে পোড়া ওল খেতে হয়। এতে দোষটা চলে যায়; তবে পথ্য না মানলে রোগ সারে না।

দাদ:

দাদের উপর ঘি মেখে পোড়া ওল ঘষলে ২-৩ দিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

ছুলি:

এ রোগেও উপরের পন্থায় ব্যবস্থা নিলে ভালো ফল মিলে।

আঙ্গুল হাজা:

ওলের ডাঁটার রস আঙ্গুলের হাজায় লাগালে ২-৩ দিনেই আরাম হয়। তবে প্রতিনিয়ত চলতে থাকলে একেবারে বন্ধ করা সম্ভব হয় না।

মৌমাছি, বোলতা, ভিমরুল ও বিছার কামড় যন্ত্রণা কমাতে:

কামড়ানোর সাথে সাথে ওলের ডাঁটার আঠা দংশিত স্থানে ঘষে দিলে ৫-৭ মিনিটের মাঝে যন্ত্রণা চলে যায়।

পেটের পীড়া:

গলা চুলকায় না এমন ওল খেলে পেটের পুরনো পীড়া সেরে যায়।

আমাশয়:

ওল শুকিয়ে গুঁড়ো করে ঘিয়ে ভেজে চিনি মিশিয়ে খেলে আমাশয় সারে।

আরো পড়ুন: লাউয়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

আশা করি,ওল কচুর উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আপনাদের অনেক উপকার হবে।এবং বাস্তব জীবনে এর ব্যবহারকে কাজে লাগাতে পারবেন।

Photo by bahumatrik

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম, শিম একটি শীতকালীন সবজি।শীমের রয়েছে অনেক উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ। আজকে আমরা জানবো,শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

চলুন জেনে নিই,শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা:

শিমের পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম শিমে
১। ৮৬.১ গ্রাম জলীয় অংশ আছে
২। খনিজ উপাদান রয়েছে ০.৯ গ্রাম
৩। আঁশ ১.৮ গ্রাম
৪।৪৮ কিলো ক্যালোরি।
৫। ৩.৮ গ্রাম প্রোটিন
৬। ৬.৭ গ্রাম শর্করা
৭। ২১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম
৮। ১.৭ মিলিগ্রাম লৌহ পাওয়া যায়।

শিমের উপকারিতাঃ

১।শিমে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। কিন্তু এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, জিংক ও মিনারেল। এগুলো শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

২।শিমের মধ্যে থাকা খনিজ চুল পড়া রোধে সহায়তা করে এবং চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

৩।শিম পরিপাকের জন্য খুব ভালো। শিমে প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার থাকে তাই কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত রোগীদের জন্য শিম খুবই উপকারী।

আরো পড়ুন: লাউয়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

৪।এ ছাড়া দেহ ঠান্ডা রাখতেও শিম খাওয়া যায়।
শিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া শিম কোলন ক্যানসার প্রতিরোধেও কার্যকর।

৫।নিয়মিত শিম খেলে ত্বক ভালো থাকে এবং ত্বকের রোগবালাইও দূরে থাকে।

৬।গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর অপুষ্টি দূর করতে শিম বেশ উপকারী।

৭।শিমে সিলিকনজাতীয় উপাদান থাকে যা হাড় সুগঠিত করে।

৮।শিমের মধ্যে থাকা ফাইবার বা আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত শিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।

৯।তাছাড়া শিমের বিচিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উভয় উপাদানই রয়েছে যা হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে।

১০।শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে শিম।

১১।ক্লোরোফাইল ক্যান্সারের প্রতিকার হিসাবে কাজ করে থাকে। শিমের মধ্যে প্রচুর পরিমানে ক্লোরোফাইল রয়েছে। কোলন ক্যান্সার প্রতিকার করে থাকে এই সবজি।

১২।শিমের ফুল রক্ত আমাশয় দূর করতে সাহায্য করে।

১৩।শিমের দানায় ভিটামিন বি সিক্স ভালো পরিমাণে থাকায় তা স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখে ফলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

১৪।শিম মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে ও এলার্জির সমস্যার প্রতিকারক হিসেবে বেশ কার্যকর।

আরো পড়ুন: কলমি শাকের উপকারিতা

শিমের অপকারিতা:

শিমে আছে সামান্য পরিমাণে ক্ষতিকর সায়ানোজেনিক গ্লুকোসাইড। শুকনো শিমে এ উপাদানের পরিমাণ অপেক্ষাকৃত বেশি।

অনেকেই শিমের বিচি আলাদাভাবে রান্না করে খেতে পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে শিমের শুকনো বিচি রান্না করার সময় অবশ্যই একবার পানি পরিবর্তন করে নেয়া উচিত।

এছাড়াও পুষ্টিসমৃদ্ধ হলেও বেশি পরিমাণে শিম  খাওয়া কখনোই উচিত নয়।  কেননা, অধিক পরিমাণে শিম খেলে অনেক সময় বমি বমি ভাব হতে পারে।

তবে সামান্য এ ক্ষতির কারণে শিম খাওয়া ছেড়ে দেবেন না। কারণ, পরিমান মতো খেলে সব সবজিতেই পাওয়া যায় কম বেশি স্বাস্থ্য উপকারিতা।

আরো পড়ুন: লাল শাকের উপকারিতা

আশা করি, শিমের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে উপকৃত হবেন।

Image by LoggaWiggler from Pixabay 

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

লাউয়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমরা জানবো, লাউয়ের উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে।

লাউ কি আমরা সবাই কম বেশি জানি।তাও বলে রাখি,লাউ হচ্ছে এক প্রকার সবজি।আর এই লাউয়ের রয়েছে অনেক উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ।

লাউয়ের ইংরেজি নাম Bottle gourd.এটি সাধারণত শীতকালীন সবজি।সারা বছর পাওয়া যায়। লাউ সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও ভেষজ গুন সম্পন্ন সবজি।

লাউয়ের পুষ্টিগুণ:

১।প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে জলীয় অংশ ৯৬.১০ গ্রাম,
২।আঁশ ০.৬ গ্রাম,
৩।খাদ্যশক্তি ১২ কিলোক্যালরি
৪।প্রোটিন ০.২ গ্রাম
৫।চর্বি ০.১ গ্রাম
৭।শর্করা ২.৫ গ্রাম।
৮। খনিজ উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়াম ২০.০ মিলিগ্রাম,
৯।আয়রন ০.৭ মিলিগ্রাম

এইছাড়াও রয়েছে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, ফসফরাস ও সেলেনিয়াম রয়েছে। এ ছাড়া ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স সি ছাড়াও এতে ফলিক এসিড, ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড আছে।

লাউয়ের উপকারিতা ও অপকারিতা:

লাউয়ের উপকারিতাঃ

১।লাউয়ে প্রচুর পানি থাকে, যা দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

২।জ্বরের সময় লাউয়ের কচি শাক ভেজে খেলে মুখে রুচি হয়।

৩।লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।

৪।যারা প্রসাবের সংক্রমণজনিত সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য লাউ একটি ভালো সবজি।

৫।লাউ খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৬।উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি লাউ।

৭।লাউ কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, পেট ফাঁপা প্রতিরোধে সহায়ক।

আরো পড়ুন: কলমি শাকের উপকারিতা

৮।লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস, যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।

৯।ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাউ যথেষ্ট উপকারী।

১০।শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে লাউ।

১১।লাউয়ে রয়েছে ভিটামিন বি, ফাইবার ও মিনারেল যা হজমের গণ্ডগোল দূর করে। লিভার সুস্থ রাখতেও লাউয়ের ভূমিকা অপরিসীম।

১২।লাউয়ের রসের সঙ্গে আদা ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন। এটি শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দূর করবে।

১৩।প্রতিদিন সকালে খালি পেটে লাউয়ের রস পান করলে মেদ জমবে না পেটে।

১৪।লাউয়ে প্রচুর ফাইবার আছে,যা খিদে কমায়,তাই ওজন কমে।

১৫।নিউরো ট্রান্সমিটার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।ফলে স্ট্রেস,ডিপ্রেশন সহ মেন্টাল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমে।

১৬।ভিটামিন বিপাকে সহায়তা করে।

১৭।অদ্রবণীয় ফাইবার অর্শ্ব,পেট ফাঁপা,পাইলসের সমস্যা দূর করে।

১৮।ডায়াবেটিস রোগীদের ডায়েটে লাউ রাখলে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো হয় ও রক্তে সুগার লেভেল স্বাভাবিক থাকে।কারণ লাউ ভিটামিন সি এর ভালো উৎস এবং এ্যান্টি অক্সিডিন্ট সমৃদ্ধ ।

১৯।২৫০ গ্রাম লাউ খেলে ২৫ এমজি ভিটামিন – সি পাই,যা সারা দিনের চাহিদার প্রায় অর্ধেক।

২০।লাউয়ের প্রাকৃতিক প্রোটিন ও ভিটামিন সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে,ব্রণের প্রতিরোধ করে,ধরুন মাত্রাতিরিক্ত ঘাম দূর করে,আয়ু বৃদ্ধি করে।

২১।শীতের শুরুতে এর রস খেলে মেয়েদের ইউরিনারিট্রাক্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা কম থাকে।

২২।প্রতিদিন লাউয়ের রসের সাথে লেবুর রস খেলে রোগ – প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়।

আরো পড়ুন: লাল শাকের উপকারিতা

২৩।জন্ডিস রোগীদের জন্য উপকারী।মূত্র নালির সংক্রমণ,কিডনি ফেইলিউর এর বিরুদ্ধে কাজ করে।

২৪।গরম কালে আমাদের পাচন তন্ত্র দুর্বল থাকে,তখন লাউ উপকারী। লাউ গা গলানো ও বমি ভাব দূরর করে।পাচন তন্ত্র ও তন্ত্র ঠিক রাখে।

২৫।লাউ যকৃত ভালো রাখে ও যকৃতের ফোলা রোধ করে।

২৬।ভিটামিন সি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে,মস্তিষ্ক সচল রাখে,শরীরে কোলাজেন ( যা একটি প্রোটিন,শরীরের টিসুকে শক্তিশালী করে ) উৎপন্ন করে।

২৭।লাউয়ের দস্তা, ভিটামিন সি ত্বকের অকাল বার্ধক্য ও কুচকে যাওয়া রোধ করে,স্নায়ু ভালো রাখে,সর্দি,কাশি,জ্বর রোধ করে।

২৮।লাউ শাকে প্রচুর আয়রন রয়েছে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ এবং লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।

সবকিছুর উপকারের সাথে কিছু ক্ষতিকর দিক থাকে,তেমনি লাউয়েরও রয়েছে কিছু অপকারিতা।

লাউয়ের অপকারিতাঃ

১।যদি লাউয়ের রস তেঁতো হয় তাহলে তা পান করলে শরীরের পক্ষে খুব টক্সিক বা বিষাক্ত প্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন ডায়রিয়া বা আন্ত্রিক, বমিভাব, অস্বাচ্ছন্দ্য, বা অন্য কোনও ধরনের অস্বাচ্ছন্দ্য দেখা দিতে পারে। সুতরাং, খাওয়ার আগে রসের স্বাদ চেখে নেওয়া জরুরি।

২।লাউয়ের তিক্ত রস পান করলে বিভিন্ন রকম সমস্যা যেমন ডুয়োডেনাইটিস (ডুওডেনামে প্রদাহ), গ্যাস্ট্রিক ইরোশন (পাকস্থলীর মিউকোসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া), গ্যাস্ট্রিক আলসার, এবং ইসোফ্যাসগাইটিস (খাদ্যনালীর প্রদাহ) দেখা দিতে পারে। তেঁতো লাউয়ের রস খেলে আপার গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল এলাকায় রক্তপাত পর্যন্ত হতে পারে।

৩।অতিরিক্ত লাউয়ের রস পান করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে কম শর্করা) হতে পারে।

৪।কিছু মানুষের ক্ষেত্রে লাউয়ের রস খেলে অ্যালার্জির উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

আরো পড়ুন: করলার উপকারিতা ও অপকারিতা

ও হ্যাঁ লাউকে আবার আমরা সবজি হিসেবে,শাক হিসেবে খেতে পারি।আবার সিদ্ধ করে দুধে দিয়ে নাস্তার মতও খেতে পারি।।

আশা করি সবাই লাউয়ের পুষ্টিগুণ,উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন এবং উপকৃত হয়েছেন।

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

কলমি শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমরা জানবো কলমি শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে।

কলমিশাক তন্তুযুক্ত খাবার। এতে প্রচুর খাদ্য উপাদান থাকে। এটি চোখ ভাল রাখে, হজমে সহায়তা করে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিন অনুপাতকে ঠিক রাখে। এই কলমযুক্ত সবজিটি ম্যাশ করে বা ভাজি দিয়ে উদ্ভিজ্জ হিসাবে খাওয়া হয়।

চলুন জেনে নিই,কলমি শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা:

কলমি শাকের পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১০০ গ্রাম কলমি শাকে পাওয়া যায়

২৯ কিলোক্যালোরি

সোডিয়াম ১১৩ মিলিগ্রাম

পটাসিয়াম ৩১২ মিলিগ্রাম

খাদ্যআঁশ ২.১ গ্রাম

প্রোটিন ৩ গ্রাম

কর্বোহাইড্রেটস ৫.৪ গ্রাম

ক্যালসিয়াম ৭৩ মিলিগ্রাম

ফসফরাস ৫০ মিলিগ্রাম

লৌহ ২.৫ মিলিগ্রাম

জলীয় অংশ ৮৯.৭ গ্রাম।

কলমি শাকের উপকারিতা:

হাড়কে শক্তিশালী করে:

কলমি শাকের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা হাড়কে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। সুতরাং, বাচ্চাদের যদি কম বয়স থেকেই কলমি শাক খাওয়ানো হয় তবে তাদের আর বাজারে প্রচলিত মশলাদার খাদ্য পরিপূরকের প্রয়োজন নেই।

আরো পড়ুন: লাল শাকের উপকারিতা
চোখ ভালো রাখে:

কলমিশাক চোখের জন্য বিশেষ উপকারী। কলমিশাক তার দৃষ্টি তীক্ষ্ণ করলেন।

শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে:

কলমি শাকের যথেষ্ট শক্তি রয়েছে বলে এটি শারীরিক দুর্বলতা দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে। রোগীদের দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য কলমিশাককে খাওয়ানো হয়।

হজমে সহায়তা করে:

কলমিশাক মূলত তন্তুযুক্ত খাবার। তাই দেহ দ্বারা খাদ্য দ্রুত হজমের জন্য কলমিশাক বিশেষ উপকারী।

রক্তশূন্যতায় কলমিশাক:

কলমি শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ থাকায় এই শাক রক্তশূন্যতার রোগীদের জন্য দারুণ উপকারী। সারা দেহে প্রয়োজনীয় রক্ত সরবরাহ ঠিক রাখতেও এই শাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মহিলাদের শারীরিক সমস্যায়:

মহিলাদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় সমস্যায় দ্রুত কাজ করে কলমিশাক।

আরো পড়ুন: করলার উপকারিতা ও অপকারিতা

কলমি শাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা:

কলমি শাকের উপকারিতা,কলমি শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

  1. এই শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ করে।
  2. পর্যাপ্ত পরিমানে লৌহ থাকায় এই শাক রক্ত শূন্যতার রোগীদের জন্য দারুণ উপকারি।
  3. জন্মের পর শিশু মায়ের বুকের দুধ না পেলে মাকে কলমি শাক রান্না করে খাওয়ালে শিশু পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ পাবে।
  4. ফোড়া হলে কলমি পাতা একটু আদাসহ বেটে ফোড়ার চারপাশে লাগালে ফোড়া গলে যাবে এবং পুঁজ বেরিয়ে শুকিয়ে যাবে।
  5. পিঁপড়া, মৌমাছি কিংবা পোকামাকড় কামড়ালে কলমি শাকের পাতা ডগা সহ রস করে লাগালে যন্ত্রণা কমে যায়।
  6. যাদের মাঝে মাঝে বিনা কারণে মাথাব্যথার সমস্যা আছে, তারা কলমি শাক খেলে উপকার পাবেন। অনিদ্রা দূরীকরণেও কলমি শাক খেতে পারেন।
  7. গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীরে, হাতে-পায়ে পানি আসে। সেই সময় কলমী শাক বেশি করে রসুন দিয়ে ভেজে তিন সপ্তাহ খেলে পানি কমে যায়।
  8. কলমিশাকে থাকা ভিটামিন বি-১ স্নায়ুতন্ত্রকে সবল ও স্বাভাবিক রাখে। দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি সাধনে সাহায্য করে।
  9. আমাশা হলে কলমী পাতার রসের সঙ্গে আখের গুড় মিশিয়ে শরবত বানিয়ে সকাল-বিকাল নিয়মিত খেলে আমাশার উপশম হয়।
  10. হাত-পা বা শরীর জ্বালা করলে কলমী শাকের রসের সঙ্গে একটু দুধ মিশিয়ে সকালে খালি পেটে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যাবে(1)
আরো পড়ুন: ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

কলমি শাকের অপকারিতা:

১। যাদের কিডনিতে পাথর আছে তারা এই শাক খেলে পাথর বৃদ্ধি পেতে পারে ।
২। ইউরিক এসিডের সমস্যা, কিডনি সমস্যা যাদের আছে, তারা কলমি শাক না খাওয়া উত্তম।

এই ছিলো কলমি শাকের উপকারিতা ও অপকারিতা ভালো লাগলে ,অবশ্যই লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন।

সূত্র : অনলাইন

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

লাল শাকের উপকারিতা

লাল শাকের উপকারিতা: শাকের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লাল শাক। এর রঙ ও স্বাদের জন্য অন্যসব শাকের থেকে আলাদা। এতে রয়েছে ভরপুর পুষ্টিগুণ। আমাদের দেহের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য লাল শাকের গুরুত্ব অনেক বেশি।

লাল শাকের পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১০০ গ্রাম লাল শাকে আছে:

ক্যালসিয়াম ৩৭৪ মি. গ্রা.

প্রোটিন ৫.৩৪ মি. গ্রা.

শর্করা ৪.৯৬ মি. গ্রা.

স্নেহ ০.১৪ মি. গ্রা.

ভিটামিন বি১ ০.১০ মি. গ্রা.

 

vভিটামিন বি২ ০.১৩ মি. গ্রা.

ভিটামিন সি ৪২.৯০ মি. গ্রা.

ক্যারোটিন ১১.৯৪ মি. গ্রা.

খনিজ ১.০৬ মি. গ্রা.

খাদ্য শক্তি ৪৩ কিলোক্যালরি।

লাল শাকের উপকারিতা:

লাল শাক রক্তশূন্যতা দূর করে:

রক্তশূন্যতা রোধ করতে লাল শাক খুব উপকারী উপাদান কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে । লাল শাক শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বুদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য এই শাকটি খাওয়া অত্যান্ত ভালো।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে:

লাল শাকের এন্টি অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাছাড়া লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম,আয়রন, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদান দূর করে। সেই সঙ্গে ক্যান্সার কোষ যাতে জন্ম নিতে না পারে,লালশাক সেদিকেও খেয়াল রাখে।

আরো পড়ুন: করলার উপকারিতা ও অপকারিতা

কিডনি পরিষ্কার করে:

কিডনির ফাংশন ভালো রাখতে ও কিডনি পরিষ্কার রাখতে লাল শাক খুব উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

চুল পড়া:

চুলের স্বাস্থ্যের জন্য লাল শাক অনেক ভালো কাজ করে। আমাদের চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুলে মিনারেল ও পুষ্টি যোগায়।

আরো পড়ুন: ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে :

লাল শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধির জন্য খুব উপকারী। লাল শাকে বিদ্যমান ভিটামিন এ রেটিনার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে আপনার খাবারেরে মেনুতে রাখুন লাল শাক।

হজম শক্তি বাড়ে:

লালশাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা হজমে সাহায্য করে ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

আরো পড়ুন: আলুর উপকারিতা ও অপকারিতা

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে:

লালশাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার বা আঁশ রয়েছে,ফলে হজমে সাহায্য করে এবং স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। এর সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ শাক সবজির উপকারিতা

আলুর উপকারিতা ও অপকারিতা

আলুর উপকারিতা ও অপকারিতা: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সবচেয়ে বেশি যে সবজিটি থাকে সেটি হলো আলু। সারাবছর পাওয়া যায় এবং নানা উপায়ে খাওয়া যায় বলে আলুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। শরীরে পুষ্টি যোগানো থেকে রূপচর্চা- সবকিছুতেই রয়েছে আলুর উপস্থিতি। পুষ্টিকর এই সবজিটি তাই রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।

আলুর পুষ্টিগুণ:

আলুতে যে যে পুষ্টিগুণ রয়েছে:

শক্তি ৩২১ জুল (৭৭ ক্যালরি)

স্টার্চ ১৫ গ্রাম

তন্তু ২.২ গ্রাম

চর্বি ০.১ গ্রাম

প্রোটিন ২ গ্রাম

পানি ৭৫ গ্রাম

থায়ামিন (ভিটামিন বি-১) ০.০৮ মিলিগ্রাম

রায়বোফ্লাভিন (ভিটামিন বি-২) ০.০৩ মিলিগ্রাম

নিয়াচিন (ভিটামিন বি-৩) ১.১ মিলিগ্রাম

ভিটামিন বি-৮ ০.২৫ মিলিগ্রাম

ভিটামিন সি ২০ মিলিগ্রাম

ক্যালসিয়াম ১২ মিলিগ্রাম

আয়রন ১.৮ মিলিগ্রাম

ম্যাগনেসিয়াম ২৩ মিলিগ্রাম

ফসফরাস ৫৭ মিলিগ্রাম

পটাশিয়াম ৪২১ মিলিগ্রাম

সোডিয়াম ৬ মিলিগ্রাম।

আলুর উপকারিতা:

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যে কম সোডিয়ামযুক্ত খাদ্য খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তার সাথে প্রয়োজন বেশি পরিমাণে পটাসিয়াম। আলুতে এই দুটি জিনিসই সঠিক পরিমাণে আছে বলে রক্তচাপ সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আরো পড়ুন: করলার উপকারিতা ও অপকারিতা

ক্যান্সার থেকে মুক্তি:

আলুতে রয়েছে ফোলেট যা ডি.এন.এ. তৈরী ও মেরামত করতে সাহায্য করে। এর ফলে যেসব কোষগুলি ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, সেগুলি নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া আলুতে থাকা ফাইবার কোলন ক্যান্সার মুক্ত করতে সাহায্য করে।

হাড়ের স্বাস্থ্য:

আলুতে থাকে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্ক, এই সবকটি উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যে উপযুক্ত। ফলে আলু শরীরের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে। এছাড়া আলুতে রয়েছে ফসফরাস যা অস্টিওপরোসিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ।

মানসিক চাপ কমায়:

আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ রয়েছে, যা মন ভালো রাখার জন্য কার্যকরী দুটি উপাদান সেরেটোনিন ও ডোপামিন নামক নিওট্রান্সমিটার গঠনে সহায়তা করে। নিওট্রান্সমিটার মস্তিষ্কে অনুভূতি আদান প্রদান করে থাকে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করতে সহায়তা করে।

হজম ক্ষমতা:

শরীরে সঠিক পরিমাণে ফাইবার প্রবেশ করলে হজম করার ক্ষমতা বাড়ে ও পাচনতন্ত্র সঠিককভাবে চলতে থাকে।

আরো পড়ুন: ফুলকপির উপকারিতা ও অপকারিতা

দাঁতের সমস্যা:

দাঁত বা মাড়ির সমস্যার ক্ষেত্রে ভিটামিন সি বেশ উপযুক্ত। তাই এক টুকরো আলু দিয়ে রোজ দাঁত পরিষ্কার করলে দাঁতের নানা সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

পেটের সমস্যা:

পেটের নানারকম সমস্যা যেমন ডায়রিয়া, ডিসেন্ট্রি বা হজম সমস্যা দেখা গেলে আলু সেদ্ধ করে খেলে বেশ খানিকটা উপকার পাওয়া যায়।

আলুর অপকারিতা:

  • আলু স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু হলেও ১০০ গ্রাম আলুর ক্যালোরি হিসেব করলে দাঁড়ায় প্রায় ১১৩ ক্যালোরি। শরীরে বেশি পরিমাণে ক্যালোরি গ্রহণ করলে ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
  • আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। শরীরের জন্যে প্রয়োজনের অধিক কার্বোহাইড্রেট শুধুমাত্র ওজন বাড়ানোর সমস্যাই সৃষ্টি করেনা, তার সাথে ডায়বেটিসের মত সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে।
  • আপনার যদি ডায়বেটিস বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকে, তাহলে খাদ্য তালিকা থেকে আলু বাদ দেওয়াই ভাল।

যতই উপকারী হোক, তবুও অতিরিক্ত গ্রহণ করলে সব খাদ্যের ক্ষেত্রেই কোনো না কোনো সমস্যা দেখা যায়, এটাই স্বাভাবিক। আলুও সে নিয়মের ব্যতিক্রম না।

কিন্তু একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে আলুর মধ্যে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান যেমন পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, মিনারেল, ভিটামিন, ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ ও কার্বোহাইড্রেট শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

আরো পড়ুন: বেগুনের উপকারিতা
এই ছিলো আলুর উপকারিতা ও অপকারিতা ভালো লাগলে ,অবশ্যই লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন।

Photo Credit: Pixabay

সূত্র : অনলাইন