Categories
উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ ভেষজ উদ্ভিদের উপকারিতা

ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম ও ডুমুর ফলের উপকারিতা

আসসালামু আলাইকুম,আজকে আমরা জানবো ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম ও ডুমুর ফলের উপকারিতা নিয়ে।

অযত্ন আর অবহেলায় বেড়ে ওঠা একটি ফলের নাম ডুমুর। ঝোপঝাড়ে যার দেখা প্রায়ই মেলে। ফলের ভিতরে ফুল হওয়া বৃক্ষের নাম ডুমুর। ফুলটি তাই দেখা যায় না । ডুমুরের ফুল’ না দেখলেও ডুমুর ফল আমরা সবাই দেখেছি। গ্রামের বন-বাদাড়ে দেখেছি। আমাদের চেনা ডুমুর খাবার হিসেবে অনেক জায়গাতেই পরিচিত। ডুমুরের আধিপত্য মূলত তরকারিতে। এই ফলে আছে অজানা অনেক পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

আসুন জেনে নিই ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম ও ডুমুর ফলের উপকারিতা ।

ডুমুর ফলের পুষ্টিগুণ:

প্রতি ১০০ গ্রাম ডুমুর  ফলে রয়েছে –

কার্বোহাইড্রেট ৬৩.৮৭ গ্রাম
সুগার ৪৭.৯২ গ্রাম
আঁশ ৯.৮ গ্রাম
ফ্যাট ০.৯৩ গ্রাম
প্রোটিন ৩.৩০ গ্রাম
থায়ামিন ০.০৮৫ মি.গ্রা.
রিবোফ্লাভিন ০.০৮২ মি.গ্রা.
নিয়াসিন ০.৬১৯ মি.গ্রা.
প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড ০.৪৩৪ মি.গ্রা.
ভিটামিন বি-৬ ০.১০৬ মি.গ্রা.
ফোলেট ৯ আইইইউ
ভিটামিন সি ১.২ মি.গ্রা.
ক্যালসিয়াম ১৬২ মি.গ্রা.
আয়রন ২.০৩ মি.গ্রা.
ম্যাগনেসিয়াম ৬৮ মি.গ্রা.
ফসফরাস ৬৭ মি.গ্রা.
পটাশিয়াম ৬৮০ মি.গ্রা.
জিঙ্ক ০.৫৫ মি.গ্রা.
এনার্জি ২৪৯ কিলোক্যালরি

ডুমুর ফলের উপকারিতা:

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:

ডুমুরে আছে প্রচুর দরকারি ফাইবার। এ ফাইবার হজমে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া বা অন্য কোনো রকম পেটের গোলযোগ সহজে হতে দেয় না।

ওজন কমাতে সাহায্য করে:

শরীরে মেদ নিয়ে যারা দুশ্চিন্তা করেন, তাঁদের জন্য ডুমুর উপকারী। এর ফাইবার মেটাবোলিজমকে ঠিক রাখে এবং শরীরে অকারণ মেদ জমতে দেয় না।

উচ্চ রক্তচাপ:

নানা কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ও পরিমিত ডুমুর ফল খেলে আমাদের শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের সামঞ্জস্য রক্ষা হয়। ফলে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার আশঙ্কা কম হয়।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:

ডুমুরে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি ফ্রি র‍্যাডিকেলস নষ্ট করে। এতে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। শুকনো ডুমুর রক্তের ট্রাইগ্লিসারিডসকে কমায়।

পুরুষত্ব ও নারীর যৌন স্বাস্থ্য :

প্রাচীন গ্রীকদের মতে, ডুমুর হলো একটি পবিত্র ফল এবং একটি প্রাকৃতিক আফ্রোডিসিয়াক হিসাবে বিবেচনা করা হত। এটি যৌন উর্বরতা এবং প্রেমের প্রতীক। প্রাচীন ভারতেও ডুমুর দুধের সাথে একত্রিত করে খাওয়া হত। যেহেতু এটি দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রনের মতো খনিজগুলি দিয়ে বোঝায়, উপাদান গুলি বৈজ্ঞানীক ভাবে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতিতে অবদান রাখে। তদুপরি, একটি ঘরোয়া প্রতিকার হিসাবে, অল্প বয়সী মেয়েদের প্রায়শই পিএমএস সমস্যাগুলি কাটিয়ে উঠতে ডুমুর খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে যেহেতু শুকনো ডুমুরগুলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারের একটি উচ্চ উৎস, তাই এটি নারীদের  মেনোপোসাল স্তন ক্যান্সার এবং হরমোন জনিত ভারসাম্যহীনতা থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।

 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে:

ডুমুর কোন ঝোপঝারের সাধারন উদ্ভিদ নয় , গবেষনায় জানা গেছে , যে ডুমুরের পাতার রসে উপস্থিত পলিফেনন ডায়াবেটিসের সকল লক্ষনকে নিয়ন্ত্রন করে , ২০১৬ সালে ইদুরের উপর একটি গবেষনা চালিয়ে দেখা গেছে যে , ডুমুর পাতার রসে উপস্থিত ফিকুসিন ইন্সুলিনের বিকল্প একটি প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে, ২০০৩ সালে করা একটি গবেষনায় দেখা যায় যে ডুমুরের নির্যাস রক্তের ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিনE র লেভেল কে  স্বাভাবিক রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ভুমিকা পালন করে।

ডুমুরের উচ্চ পটাসিয়াম উপাদান দেহে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে, এইভাবে খাওয়ার পরে শর্করা কী পরিমাণ পরিমাণে শোষিত হয় তা পরীক্ষা করে রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদেরজন্য সহায়ক উচ্চ পটাসিয়ামযুক্ত খাদ্য বলা হয়।গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে ডুমুরগুলিতে উপস্থিত ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করতে এবং টাইপ -2 ডায়াবেটিসে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

হিমোগ্লোবিন ঠিক রাখে:

ডুমুরে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। আয়রন কমে গেলে আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন কমে যায়, যা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। ডুমুর আমাদের শরীরে আয়রনের পরিমাণকে স্বাভাবিক রাখে।

ত্বকের জন্য উপকারী:

শুধু খেতে ভালো তা-ই না, ডুমুরের ঔষধি গুণ নিয়েও অনেক প্রশংসা আছে। ডুমুর ফল কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, ফোঁড়া ও চর্মরোগ নিরাময়ে বেশ কাজ দেয়।

হাড় মজবুত করে:

অনেক সময় দেহে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এসময় হাত পায়ের গিঁটে ব্যথা, হাড় ক্ষয়ে যাওয়া, দাঁত ভঙ্গুর ইত্যাদি হয়। এ থেকে নিজেকে বাঁচাতে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রয়োজন ক্যালসিয়ামের। কারণ ক্যালসিয়ামের রয়েছে হাড় মজবুত ও ক্ষয়রোধ করার দারুণ কার্যকর ক্ষমতা। আর প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়ামের নির্ভরযোগ্য একটি উৎসের নাম চির পরিচিত ডুমুর।

 চুলের যত্নে:

বিশ্ব নামকরা সকল কোম্পানিই তাদের শ্যাম্পূতে ডুমুরের নির্যাস ব্যাবহার করে, এটি চুল কে ভেতর থেকে শক্তিশালী ও ময়শ্চারাইজ করে থাকে।

একটি গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে , ডুমুরে থাকে জিংক ও কপার চুল পরা রোধে সাহায্য করে। জিংক চুল পুরুদ্ধারে সাহায্য করে থাকে।

আরেকটি পরীক্ষায় জানা গেছে মনোপোজের সময় মহিলাদের চুল পরা রোধে ডুমুরের বিশেষ ভুমিকা রয়েছে। মুলতঃ ডুমুরে থাকা zinc,copper, selenium, magnesium, calcium, B vitamins, vitamin C উপাদান গুলি চুলের পরিচর্চার ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে সহায়ক।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে:

ডুমুর কোন ঝোপঝারের সাধারন উদ্ভিদ নয় , গবেষনায় জানা গেছে , যে ডুমুরের পাতার রসে উপস্থিত পলিফেনন ডায়াবেটিসের সকল লক্ষনকে নিয়ন্ত্রন করে , ২০১৬ সালে ইদুরের উপর একটি গবেষনা চালিয়ে দেখা গেছে যে , ডুমুর পাতার রসে উপস্থিত ফিকুসিন ইন্সুলিনের বিকল্প একটি প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে, ২০০৩ সালে করা একটি গবেষনায় দেখা যায় যে ডুমুরের নির্যাস রক্তের ফ্যাটি এসিড ও ভিটামিনE র লেভেল কে  স্বাভাবিক রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ভুমিকা পালন করে।

ডুমুরের উচ্চ পটাসিয়াম উপাদান দেহে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে, এইভাবে খাওয়ার পরে শর্করা কী পরিমাণ পরিমাণে শোষিত হয় তা পরীক্ষা করে রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদেরজন্য সহায়ক উচ্চ পটাসিয়ামযুক্ত খাদ্য বলা হয়।গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে ডুমুরগুলিতে উপস্থিত ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করতে এবং টাইপ -2 ডায়াবেটিসে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

ডুমুর ফল খাওয়ার উপকারিতা:

১. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ডুমুরের রস খুবই উপকারী।

২. প্রতিদিন ৩-৫ টি ডুমুর খেলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৩. মেয়েদের মাসিকের সময় বেশি রক্তস্রাব হলে কচি ডুমুরের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে উপকার হয় এবং রক্তপিত্ত সারে।

৪. ডুমুর পিত্ত ও আমাশয় রোগে উপকারী।

৫. এতে অধিক পরিমাণে লোহা আছে (অতিরিক্ত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে)।

৬. রক্তপিত্ত, রক্তপড়া এবং রক্তহীনতা রোগে উপকারী।

৭. জ্বরের পর ডুমুর রান্না করে খেলে এটি টনিকের কাজ করে।

৮. দুধ ও চিনির সঙ্গে ডুমুরের রস খেলেও অধিক ঋতুস্রাব বন্ধ হয়।

৯. আমাশয় হলে ৩ দিন কচি ডুমুরের পাতা আতপ চালের সাথে চিবিয়ে খেলে ভালো হয়।

১০. সাদা ও রক্ত আমাশয় হলে ডুমুর গাছের ছালের ২ চামচ রস এবং মধু মিশিয়ে দুই বেলা খেলে উপকার হয়।

১১. মাথা ঘোরা রোগে ডুমুর ভাজি করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

১২. অতিরিক্ত হেঁচকি উঠলে ডুমুরের বাইরের অংশ কেটে পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঐ পানি ছেঁকে এক চা চামচ করে খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।

১৩. ডুমুর গাছের ছাল পানিসহ সিদ্ধ করে সেই পানি দ্বারা ত্বক ধৌত করলে চর্মের বিবর্ণতা এবং ক্ষত রোগে উপকার হয়।

১৪. দুধের সাথে সিদ্ধ করে প্রলেপ দিলে ফোঁড়া পাকে।

১৫. ক্ষুধামন্দা রোগে ১ চা চামচ কাঁচা ডুমুরের রস খাওয়ার পর সেবন করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন, ডুমুর ফল খাওয়ার উপকারিতা:

১. ডুমুর ভাঙলে বা কাটলে একরকমের সাদা রস বের হয়। একে বলা হয় ল্যাটেক্স । এটাকেই ডুমুরের সকল শক্তি এবং উপকারিতার মূল উৎস বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। আগে এই রস বা ল্যাটেক্স বন্ধ্যাত্বের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তা ছাড়া মায়েদের বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করানোর জন্য উদ্দীপক হিসেবেও ব্যবহার করা হতো।

২. ডুমুর আমাদের উচ্চ কিংবা নিম্ন উভয় ধরনের রক্ত চাপকেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক সহায়তা করে। ডুমুর খেলে এতে থাকা বেশ কিছু উপকারী খনিজ উপাদান আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

৩. ডুমুর খেলে আমাদের ত্বক উজ্জ্বল হয়ে থাকে। এছাড়াও ত্বকে ব্রণের দাগ কিংবা যেকোনো দাগ মেশাতে ডুমুর বেশ কার্যকর। তাই যারা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি কিংবা ত্বকের দাগ নিয়ে চিন্তিত তারা কিন্তু ডুমুর খেতে পারেন।

৪. ডুমুর বিভিন্ন চর্মরোগের জন্য অনেক উপকারী। এজন্য ডুমুরের ছাল পানিতে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করলে ত্বকের বিবর্ণতা এবং ক্ষত খুব দ্রুত সেরে যায়।এছাড়াও ত্বকের ফাঙ্গাশ জনিত যেকোনো সমস্যয় ডুমুরের সিদ্ধ পানি অনেক উপকারী।

৫. ডূমুরের ছাল থেঁতো করে পানিতে সিদ্ধ করে এর সাথে যদি পুদিনার রস মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে আমাদের হজমশক্তি অনেক বেড়ে যায় এবং একই সাথে আমাদের পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়।

কাকডুমুরের ভেষজ চিকিৎসা:

কাকডুমুরের উপকারিতা, কাক ডুমুর
কাকডুমুর
ভস্মকাগ্নি :

একে লোকজ কথায় বলে খাই-খাই করা রোগ। এ রোগের উৎপত্তি বায়ুধিকার প্রধান অগ্নিমান্দ্যে এবং এর চিকিৎসা না করলে কৃশতা রোগ অনিবার্য। এ রোগ হলে কাকডুমুরের ফলের রস ২ চা-চামচ করে প্রতিদিন এক-দুই বার করে খেলে দুই-তিন দিনেই ফল দেখা যায়।

অপুষ্টিজনিত কৃশতা :

এ ক্ষেত্রে পাকা কাকডুমুর কেটে পোকা আছে কি না দেখে নিয়ে তারপর রোদে শুকাতে হবে। এরপর প্রতি ৫ গ্রাম মাত্রায় আধাকাপ দুধ ও ২ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে আন্দাজ আধা কাপ থাকতে নামিয়ে ডুমুরসহ সে পানি খেতে হবে।

শোথে অপুষ্টি :

এ ক্ষেত্রে কাকডুমুরের পাকা ফলের রস ২ চা-চামচ মাত্রায় একটু গরম করে প্রতিদিন একবার অথবা দুইবার খেতে হবে। এতে বুকের দুর্বলতাও কমবে, শোথও সারবে।

রক্তপিত্ত : 

পাকা কাকডুমুর ছোট হলে ৩টি, বড় হলে ২টি পানিতে মিশিয়ে নিংড়ে পাতলা ন্যাকড়ায় ছেঁকে ওই পানি দিনে ২-৩ বার খেলে ২-৩ দিনের মধ্যে রক্ত ওঠা বন্ধ হবে, গলার সুড়সুড়ি ও কাশি থাকবে না।

প্রদর :

রক্ত ও শ্বেতপ্রদরে কাকডুমুর গাছের কাঁচা ছাল ১০ গ্রাম একটু থেঁতো করে ৩ কাপ পানিতে সিদ্ধ করার পর আন্দাজ এক কাপ থাকতে নামিয়ে, ছেঁকে ওই পানি সকাল ও বিকেলে খেতে হবে। এর দ্বারা রক্তপ্রদরও সারবে। শ্বেতপ্রদরও কিছু দিন ধরে ব্যবহার করলে সারবে। তবে এ ছালসিদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে দিলে এ রোগ তাড়াতাড়ি সারবে।

পেটের দোষ :

পেটের দোষ যদি বারো মাসই চলে, তবে সে ক্ষেত্রে কাকডুমুর গাছের গোড়ার দিকে শুকনো ছাল, ১০ গ্রাম নিয়ে একটু থেঁতলে ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করার পর এক কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে সে পানি সকাল ও বিকেলে ২ ভাগ করে খেতে দিতে হবে।

শ্বেতী রোগ :

শ্বেতী রোগের বেলায় পেটের দোষের নিয়মে খেলে ধীরে ধীরে দাগগুলোর রঙ স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। ডুমুরের তরকারিও খেতে হবে। চিকিৎসা শুরু হলে দাগের জায়গায় প্রদাহ বা জ্বালা শুরু হলে কয় দিন খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।

চামড়ার বিবর্ণতা :

যেকোনো কারণে চামড়ার রঙ বদলে গেলে অর্থাৎ অন্য রকম হয়ে গেলে কাকডুমুর সিদ্ধ পানিতে (কাঁচা ডুমুর অথবা ছাল) ১০-১৫টি চামড়াটা ধুয়ে ফেলতে হবে। এ ছাল বা ফল থেঁতলে নিয়ে ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ ভাগ থাকতে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে ব্যবহার করতে হবে। ১৫-২০ দিন ধরে এভাবে ব্যবহার করলে রঙ স্বাভাকি হবে।

দূষিত ক্ষত :

পচা বা দূষিত ঘা, তা নতুন বা পুরাতন হোক, ২০ গ্রাম কাকডুমুরের ছাল সিদ্ধ পানিতে ধুলে পচাটা সেরে যাবে। এতে ৫-৬ কাপ পানিতে ছাল নিয়ে সিদ্ধ করে এক-দেড় কাপ থাকতে নামিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

ঋতুস্রাব :

মেয়েদের অতিরিক্ত ঋতুস্রাব হলে কচি ডুমুরের রস মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এটি দুধ ও চিনি মিশিয়ে খেলেও চলে।

রক্তপিত্ত বা মুখ দিয়ে রক্ত ওঠা :

এতে কচি ডুমুরের রসে মিছরি মিশিয়ে দিনে ২ বার করে খেতে হবে (১ চা-চামচ রসে আধা চা-চামচ মিছরির গুঁড়ো। তাতে মুখ দিয়ে রক্ত ওঠা বন্ধ হবে, এটা ৩-৪ দিন খেতে হয়।

আমাশয় :

এ রোগে কাকডুমুরের পাতার একটি কুঁড়ি আতপ চালের সাথে চিবিয়ে খেলে রোগের উপশম হয়। এভাবে তিন দিন খেতে হবে। তা ছাড়া গাছের ছাল থেঁতলে নিয়ে মিছরির সরবতের সাথে ভালোভাবে চটকে ছেঁকে নেয়ার পর দিনে ২ বেলা ২ চা-চামচ করে।

মাথা ঘোরা :

ভাতপাতে প্রথমে ১ চা-চামচ দূর্বাঘাস ভাজা খেয়ে পরে বীজ বাদ দিয়ে ডুমুর ভাজা খেলে উপকার হয়।

ডায়াবেটিস :

কাকডুমুর গাছের শিকড়ের রস এ রোগে খুবই উপকারি। তবে অনেক দিন ধরে খেলে তবেই উপকার মিলে।

হেঁচকি :

কাকডুমুর চাক চাক করে কেটে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে আধা ঘণ্টা পর পর ১ চা-চামচ করে তা পান করলে ৪-৫ বার পান করার পরই হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।

এ ছাড়া কাকডুমুরে যথেষ্ট পরিমাণে লোহা রয়েছে বলে এটি খেলে স্কার্ভি, রক্তপ্রদর, রক্তপড়া, অর্শ্ব, রক্ত প্রস্রাব ও রক্তশূন্যতা রোগ সারে, তবে বেশি করে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।

যজ্ঞ ডুমুরের উপকারিতা:

যজ্ঞ ডুমুর,যজ্ঞ ডুমুরের উপকারিতা
যজ্ঞ ডুমুর

Sources

এটি উদুম্বর নামেও পরিচিত। যজ্ঞডুমুর কৃমিনাশক, সাইনাস সারায়, শোথ, রক্তদোষনাশক, ক্ষতনাশক, কুষ্ঠে কাজ দেয়। এর ক্ষীর গাঁটের ফুলোয় লাগিয়ে দিলে প্রদাহ বা জ্বালা ব্যথা কমে। নিচে যজ্ঞডুমুরের ব্যবহারবিধি দেয়া হলো।

কেটে রক্তপাত হতে থাকা :

এ অবস্থায় যজ্ঞডুমুরের ঘনসার লাগালে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে, ব্যথা হবে না এবং ওটাতে ঘা সেরে যাবে। (ঘনসার বানানোর নিয়ম : ১২-১৫ সে.মি. ডালসহ কাঁচা পাতা ছেঁচে নিয়ে তা সিদ্ধ করে সে পানি ছেঁকে নিয়ে নরম জ্বালে আবার পাক করতে করতে ঘন হয়ে চিটাগুড়ের থেকেও একটু বেশি ঘন হলেই বা কাই করে নামাতে হয় এবং সংরক্ষণ করতে। এতে অল্প সোহাগার ঘৈ মেশালে এটা আর নষ্ট হয় না।

বিষাক্ত পোকা-মাকড়ের কামড় ও কুকুরে আঁচড় :

এ অবস্থায় যজ্ঞডুমুরের ঘনসার লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণার উপশম হবে, বিষও থাকবে না।
থেতলে যাওয়া ও আঘাত লাগা : এ অবস্থায় ঘনসারের সাথে দুই গুণ পানি মিশিয়ে পেস্ট বা লেইয়ের মতো লাগালে ফুলা ও ব্যথা দুই-ই কমে যাবে।

ফোঁড়া :

ফোঁড়ায় ঘনসার চার গুণ পানির সাথে মিশিয়ে ন্যাকড়া বা তুলোয় লাগিয়ে বসিয়ে দিলে ওটা ফেটে পুঁজ রক্ত বেরিয়ে যাবে এবং ক’দিনেই তা সেরে যাবে।

মুখের দুর্গন্ধ, দাঁতের ও মুখে ক্ষত :

এ অবস্থায় যজ্ঞডুমুরের ঘনসার আট গুণ পানিতে গুলে গরগরা করলে অথবা মুখে রেখে দিলে দু-এক দিনেই রোগের উপশম হবে।

গ্রন্থিস্ফীতি :

যজ্ঞডুমুরের ক্ষীর ফোলায় লাগালে প্রদাহ ও ব্যথা কমে যায়, বসেও যায়।

রক্তপিত্ত, রক্তার্শ ও রক্তস্রাব :

যজ্ঞডুমুরের ঘনসার ১২ গ্রেন আন্দাজ নিয়ে ৫০ মিলিলিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার খেলে রোগের উপশম হয়।

পিত্তবিকারজনিত রোগ :

এ ক্ষেত্রে যজ্ঞডুমুরের শুকনো পাতার গুঁড়ো মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে সেরে যায়।

চিকেন পক্স :

এসব ক্ষেত্রে পাতা দুধে ভিজিয়ে মধুতে মেড়ে লাগালে বিশেষ উপকার হয়।

স্ত্রী রোগজনিত স্রাব :

এ ক্ষেত্রে ঘনসার ৮-১২ গুণ পানিতে গুলে ডোস দিলে তা নিশ্চিত প্রশমিত হবে।

প্রদর :

যজ্ঞডুমুরের রক্ত মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে প্রদর রোগ সারে।

বহুমূত্র :

দাদখানি চালের সাথে যজ্ঞডুমুরের ভর্তা খেলে বহুমূত্র রোগে উপকার হয়।

ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম:

কিভাবে ডুমুর খাবেন:

ডুমুরের মিষ্টি স্বাদ এবং পরিবর্তে সমৃদ্ধ গন্ধ থাকে। এটি সাধারণত শুকনো খাওয়া হয় তবে তাজা ফলগুলিও তুলনামূলকভাবে জনপ্রিয়। যদি আপনি কোনও তাজা ফল খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তবে খাওয়ার আগে চলমান জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে ভুলবেন না। ডুমুর খোসা মুছে ফেলা যায় না, তবে এটি দিয়ে খান।

প্রতিদিন আপনি কতটা খেতে পারেন

ডুমুরগুলি একটি উচ্চ-ক্যালোরি পণ্য এবং এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের সাথে সাথে ফ্যাট জমা হয়। এই কারণে, প্রতিদিন 4-5 টিরও বেশি ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় না।

কাশিতে ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম:

রান্না শুরু করার আগে, ডুমুর  ধুয়ে ফেলুন। একটি ডুমুর জন্য, দেড় গ্লাস গরম দুধ নিন।

পরবর্তী:

  1. দুধ ও  ডুমুর চুলায় দিয়ে আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন|
  2. ভালো করে ফুটিয়ে নিন
  3. এরপর, দুধ ঠান্ডা করুন, 2-3  ঘন্টা পর, তারপরে একটি গ্লাসে ঢালুন।
  4. খাবারের আগে দিনে 3-4 বার নিন।
  5. একটি পরিবেশন – 2-3 টেবিল চামচ (5 বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য – 2 চামচ)।

কোলাইটিস, আমাশয় এবং এন্টারোকলাইটিস জন্য কাটা

শুকনো ফলগুলি (2 টেবিল চামচ) দুধে (200 মিলি) সিদ্ধ করে নিন। আধা গ্লাসের জন্য দিনে ২-৩ বার একটি ডিকোশন নিন (তাপের আকারে)।

কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে শক্তিশালী করা

  1. শুকনো ফল (50 গ্রাম) গরম জল দিয়ে (1 কাপ) .ালা।
  2. এটি 6 ঘন্টা জন্য তৈরি করা যাক।
  3. সারা দিন খাবারের আগে ছোট ছোট অংশ নিন।

কোর্সটি 10-12 দিন শেষ হওয়া উচিত।

স্কিন ইনফিউশন

ডুমুর (25 গ্রাম) ফুটন্ত জল 1ালা (XNUMX কাপ)। এটি কয়েক ঘন্টা ধরে তৈরি করুন, তারপরে চাপ দিন। দিনে বেশ কয়েকবার মুখ মুছুন।

পরিষ্কার মাস্ক

ডুমুরের সজ্জা পিষে নিন। ফলস্বরূপ মুখে মুখে প্রয়োগ করুন। 10-15 মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপরে জল দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন।

বার্ধক্যজনিত ত্বকের ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম:

উপাদান গুলো:

  • ডুমুর – 2 টি
  • আম – 1 টি
  • কুটির পনির – 5 চামচ
  • মধু – 1 চামচ
  • তেল (পীচ) – 1 চামচ
  • ডিম – ২ টি

 কিভাবে তৈয়ার করবেন:

  1. সমস্ত উপাদান একত্রিত করুন এবং ভালভাবে মিশ্রিত করুন।
  2. ত্বকে একটি গরম মিশ্রণটি প্রয়োগ করুন।
  3. 30-40 মিনিট অপেক্ষা করুন।
  4. দুধে সতেজ হওয়ার পরে (সতেজ) কটন প্যাড দিয়ে মুখোশটি সরিয়ে ফেলুন।
  5. জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

মাস্কটি 2 মাস ধরে সপ্তাহে 2 বার করা উচিত।

চুলের জন্য ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম

চুল বৃদ্ধিতে:

  1. শুকনো ডুমুর (2 টি।) দুধ 1 কাপ)।
  2. একটি ফোড়ন এনে এবং তাপ কমাতে। মসৃণ হওয়া পর্যন্ত মিশ্রণটি বীট করুন।
  3. মিশ্রণটিতে মধু (1 চামচ) এবং “ভিজা” খামির (10 গ্রাম) যোগ করুন।
  4. ঠান্ডা করুন এবং চুলে প্রয়োগ করুন।
  5. আপনার মাথায় একটি টুপি (পলিথিন দিয়ে তৈরি) রাখুন এবং তার উপরে একটি তোয়ালে রাখুন।
  6. 1,5 ঘন্টা অপেক্ষা করুন।
  7. জল দিয়ে মুখোশ ধোয়া।

চুলের জন্য ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম:

চুলের জন্য:

  1. তাজা ডুমুর  কাটা 1 টি।
  2. দুধ (2 টেবিল চামচ)
  3. ভিটামিন বি 6 এবং বি 1 (ক্যাপসুল) এর 6 টুকরা যুক্ত করুন।
  4. ভালো করে মিশিয়ে চুলে লাগান apply

প্রতিদিন কতগুলি ডুমুর খাওয়া যায়:

আদর্শগতভাবে, 3-5টা ডুমুর বা 40 gm প্রতিদিন খুব একটা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই খাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আপনার শরীরের ধরণ, বয়স, এবং লিঙ্গ অনুযায়ী আদর্শ মাত্রার জন্য আপনার আয়ুর্বেদ ডাক্তারকে দেখানো বাঞ্ছনীয়।

দই এবং ডুমুরের একটা লেপ একটা তাজা এবং প্রাণবন্ত দেখতে ত্বকের জন্য স্থানীয়ভাবে লাগানো যেতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ডুমুর খাওয়া কি নিরাপদ?

ডুমুরকে অন্যতম একটি স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে যা পুষ্টিতে ভরপুর এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উচ্চমাত্রায় সুপারিশ করা হয়। এর পাশাপাশিএটি আবার আপনার গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকের প্রথম দিকে মর্নিং সিকনেসের সহিত মোকাবিলা করতেও আপনাকে সহায়তা করবে। এছাড়াও আবার গর্ভাবস্থায় এটি আপনার দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পরিপূর্ণ করে

 প্রতিদিন আপনি কটি করে ডুমুর খেতে পারেন?

গর্ভাবস্থায় ডুমুর খাওয়া উপকারী তবে সেটি সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। চিকিৎসকরা আপনাকে ডুমুরকে কেবলএকটি ফল হিসেবেই গ্রহণ করার পরামর্শ দেবেনএকটি ওষুধ হিসেবে নয়। আপনি সারাদিনের বিভিন্ন সময় জুড়ে এগুলির 5টি খাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন জলখাবারের সাথেপড়ন্ত বিকেলের কিছু মুখরোচক হিসেবে,একটি কফির বিরতির সময় ,স্যালাডের মধ্যে অথবা কোনও রেসিপিতে পিউরি হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে

গর্ভাবস্থায় ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম:

তাজা ডুমুর

তাজা ডুমুরগুলি খাওয়া এক্ষেত্রে একটি শ্রেষ্ঠ বিকল্প।ডুমুরগুলিকে আবার কিছুটা ফ্রেশ ক্রীম সহযোগে একটি ফলের স্যালাডের সাথে যোগ করা যেতে পারে।

শুকনো ডুমুর

শুকনো ডুমুর বহন করা সহজ।আপনি কিছুটা শুকনো ডুমুরকে নিয়ে আবার অন্যান্য কিছু শুকনো ফলের সাথে আপনার হাতের ব্যাগের মধ্যে অসময়ের কিছু খুচখাচ খাবার হিসেবে মজুত করে রাখতে পারেন।

মিল্কশেক

4-5 টি তাজা ডুমুর একটি ব্লেন্ডারের মধ্যে নিয়ে তার সাথে কাপ দুধ এবং বড় 3-4 চামচ চিনি অথবা আপনার প্রয়োজন মত যোগ করুন।এবার এর সাথে সামান্য ভ্যানিলার নির্যাস যোগ করুন।সকল উপকরণগুলি একত্রে ব্লেন্ড করে নিন।ডুমুর খাওয়ার একটি চমৎকার উপায় হল ডুমুরের মিল্কশেক পান করা যা আপনার প্রত্যহ দুগ্ধ চাহিদাকেও পূরণ করে।

ডুমুরের স্মুদি

একটি ব্লেন্ডারের মধ্যে এক কাপ দইয়ের সাথে অর্ধেক কলা এবং 4-5 টি ডুমুর,বড় এক চামচ মধু এবং এক চিমটে লবণ যোগ করুন।এবার সবকিছু একসাথে ব্লেন্ড করুন এবং আপনি যদি একটি পাতলা ঘনত্ব পেতে চান তবে এর সাথে কিছুটা দুধ যোগ করুন।এটি হল একটি শক্তিশালী,সমৃদ্ধ রেসিপি যেটি আপনার জলখাবারের মেনুতে সংযুক্ত করা যেতে পারে।


সতর্কতা : অতিরিক্ত ডুমুর খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে এবং যকৃৎ, পাকস্থলী ও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর।

2 replies on “ডুমুর ফল খাওয়ার নিয়ম ও ডুমুর ফলের উপকারিতা”

অনেক তথ্য জানলাম, কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় খাব সেটা বিস্তারিত লিখা থাকলে ভাল হতো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *