৩০ বছরের উর্ধ্বে গর্ভবতী হতে গেলে যে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে

2

চিকিৎসকেরা মনে করেন যে, গর্ভবতী হওয়ার সঠিক সময় হল ২৫ থেকে ৩০ বছর।কিন্তু ৩০ বছরের উর্ধ্বে গর্ভবতী হতে গেলে বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে মেয়েদের শরীরে।

আসুন আজ জেনে নিন বেশি বয়সে গর্ভবতী হতে গেলে কি ধরনের শারীরিক জটিলতার পরিস্থিতি তৈরি হয়:

  • বন্ধ্যাত্ব এবং গর্ভধারণে দেরি:

ত্রিশের কোঠায় পা দিতে না দিতেই কিছু মহিলার প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে শুরু হয়ে যায় নানাবিধ সমস্যা। তখন বছরের পর বছর সময় লেগে যায় গর্ভধারণের জন্য। এই সময়ে নারী শরীরের পরিপক্কতায় সঙ্গে ডিম্বস্ফোটন আরো অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। এর ফলে নারী শরিরে দেখা যেতে পারে বন্ধ্যাত্ব।

  •  পি ম্যাচুয়েড ডেলিভারির আশঙ্কা:

অধিক বয়সে গর্ভবতী হলে সেই মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রিম্যাচিওর ডেলিভারির আশঙ্কা সবথেকে বেশি থাকে। এর ফলে শিশুর শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে দুর্বল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

  • বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি: 

৩০ বছরের উর্ধ্বে  শরীরে থাইরয়েড,ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, স্থূলতার মতো নানা ধরনের সমস্যা বাসা বাঁধতে থাকে। এর ফলে বেশি বয়সে প্রেগনেন্সির পরিকল্পনা করলে তা ক্ষতিকর হতে পারি মা এবং শিশুর উভয়ের ক্ষেত্রেই ।

  • বাচ্চা হবার সময় উচ্চ ঝুঁকি:

বেশি বয়সে বাচ্চা হবার সময় অনেক সময় মৃত শিশুর জন্ম দেবার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সম্ভবত ডিম্বাণু গুলোর গুণমান কমে যাওয়ার কারণে এই রকম সমস্যা দেখা যায় নারী দেহে। কোন কোন ক্ষেত্রে শিশুকে বাঁচানো গেলেও মা কে বাঁচানো যায় না। বেশি বয়সে গর্ভধারণ এক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি থেকেই যায়।

  •  সিজারের ঝুঁকি বাড়ে:

ত্রিশের কোঠায় গর্ভধারণের সময় খুব সাধারন সমস্যা যেমন জরায়ুর মুখ সঠিকভাবে না খোলা, শিশুর নড়াচড়া সঠিকভাবে না হওয়া, বাচ্চা প্রসব হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রণা না থাকার ফলে সিজার করার প্রয়োজন হয়।

  •  মিসক্যারেজ হওয়ার ঝুঁকি: 

বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে বেশি বয়সের মায়েদের ক্রোমোজোমের সমস্যার কারণে ভ্রুন নষ্ট হয়ে যাবার ঝুঁকি থেকে যায়।

2 Comments
  1. Ebrahim khalil says

    its a excellent page

    1. Admin says

      Thanks

Leave A Reply

Your email address will not be published.